অক্ষয়ের জন্য মাঝরাতে সাজগোজ করতেন নূপুর |অক্ষয় | নূপুর
Instant ArticlesInstant Binodon

অক্ষয়ের জন্য মাঝরাতে সাজগোজ করতেন নূপুর

বড় পর্দায় এখনো অভিষেক হয়নি। কিন্তু এখনই তাঁর জনপ্রিয়তা অবাক করার মতো। অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘ফিলহাল’ মিউজিক ভিডিওর মাধ্যমে রাতারাতি তারকা বনে গিয়েছিলেন নবাগত নূপুর শ্যনন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ‘ফিলহাল’-এর সিকুয়েল। ‘ফিলহাল টু মহব্বত’ ভিডিটিও দারুণ সফলতা পেয়েছে। মুক্তির তিন দিনের মধ্যে ১১৫ মিলিয়ন ভিউ। এই গানের নায়িকা নূপুর আবার ঝড় তুলেছেন। নূপুরের আরেক পরিচয় বলিউড নায়িকা কৃতি শ্যননের তিনি বোন। দিদির দেখানো পথেই হাঁটতে চান নূপুর।

আর ক্যারিয়ারের শুরুতে অক্ষয়ের মতো বড় সুপারস্টারের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত এই নায়িকা। অক্ষয়কে নিয়ে কিছু অভিজ্ঞতা ফাঁস করেছেন তিনি।

এই বলিউড সুপারস্টারের সঙ্গে শুরুতে কাজ করতে নূপুরের হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যেত। তবে পরে অক্ষয় তাঁকে সহজ করে দিয়েছিলেন। অক্ষয়ের প্রসঙ্গে নূপুর বলেন, ‘ওনার স্বভাব এমন ছিল যে আমি সহজে কাজ করতে পেরেছিলাম।



আর উনি এতটাই অভিজ্ঞ যে কোনো কঠিন দৃশ্য এক চুটকিতে করে দিতেন। ওনার সঙ্গে কাজ করার জন্য আমাকে অনেক হোমওয়ার্ক করতে হয়েছে। চড়া রোদের মধ্যে ভারী অলংকার আর পোশাক পরে আমায় শুটিং করতে হতো। আমার জন্য এটা অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। উনি সব সময় আমাকে ভ্যানিটি ভ্যানে কম থাকার কথা বলতেন।

বলতেন আমি যেন সেটে ক্রু-সদস্য, সহপরিচালক বা অন্যদের সঙ্গে বেশি করে কথা বলি। নিজের পরিচিতি যেন আরও বাড়াই। বহির্বিশ্বের চলচ্চিত্রজগৎ সম্পর্কে নিজেকে আরও আপডেট করার কথা বলতেন। আমি ওনার কথামতো চলতাম। উনি জীবনে অনেক চড়াই-উতরাই দেখেছেন।



আর ওনার পরামর্শ আমার জন্য বিশেষ কিছু। অক্ষয় স্যারসহ অন্য কেউ আমাকে অনুভব করাননি যে আমি নতুন।’
নূপুর জানিয়েছেন, অক্ষয়ের সঙ্গে শুটিং করার অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা। শুটিংয়ের জন্য মাঝরাতে তাঁকে সাজগোজ করতে বসতে হতো।



এ প্রসঙ্গে এই নবাগতা বলেছেন, ‘মাত্র চার দিনের মধ্যে আমরা গানটির শুট করেছিলাম। তা আবার অদ্ভুত সময়ে। কারণ, অক্ষয় কুমার ভোর চারটা থেকে শুটিং শুরু করে দিতেন। তাই রাত দুটো থেকে প্রস্তুতি নিতে শুরু করতাম। আমার চুলের স্টাইল আর প্রসাধন তিনটা পঞ্চাশের মধ্যে শেষ করে ফেলতে হতো।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button