গাইবান্ধায় স্ত্রী হ.ত্যা.র দায়ে স্বা.মী.র মৃ.ত্যু.দণ্ড

গাইবান্ধায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্ত্রী খাতিজা বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী মাইদুল ইসলাম মিঠুর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দীলিপ কুমার ভৌমিক এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাইদুল ইসলাম মিঠু সদর উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফারুক ইসলাম প্রিন্স জানান, দাম্পত্য কলহের জেরে ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে খাতিজাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মাইদুল ইসলাম মিঠু। পরদিন সকালে বিছানার উপর গলায় ওড়না জড়ানো খাতিজার মরদেহ দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। ওইদিন নিহত খাতিজার বাবা মো. আব্দুর রেজ্জাক বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত আজ রায় দেন।

যুক্তরাজ্যে বাণিজ্য বাড়াতে বিবিসিসিআইকে অনুরোধ বিজিএমইএর

বাংলাদেশ এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে (বিবিসিসিআই) অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। একই সঙ্গে বিবিসিসিআইকে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার কথা বলা হয়।

সম্প্রতি গুলশানে বিজিএমইএ পিআর অফিসে সাক্ষাৎকালে বিবিসিসিআই সভাপতি বশির আহমেদকে এ আহ্বান জানান বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান।

এসময় বিজিএমইএ সহ-সভাপতি মিরান আলী, বিবিসিসিআই উত্তর পূর্ব অঞ্চল সভাপতি মাহতাব মিয়া, বেঙ্গল ডাচ ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি আর চৌধুরী এবং এশিয়ান টাইগার ক্যাপিটাল পার্টনার্সের চেয়ারম্যান ইফতি ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএ সভাপতি যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে উচ্চ মূল্য সংযোজন এবং নন-কটন টেক্সটাইলসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার জন্য বিবিসিসিআইর সহযোগিতা কামনা করেন। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি সম্প্রদায় তাদের কেনাকাটার সময় যেন ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ পোশাককে অগ্রাধিকার দেয় এবং তাদের বিদেশি বন্ধুদের উপহার সামগ্রী হিসেবে এসব পোশাক উপহার দেয়, সে ব্যাপারে তাদের উৎসাহিত করার জন্যও বিবিসিসিআই সভাপতিকে অনুরোধ জানান বিজিএমইএ সভাপতি।

তিনি বলেন, এটি শুধু যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদা বাড়াবে তা নয়, বরং ব্রিটিশ নাগরিকদের মধ্যে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রচারণায় অবদানও রাখবে। এতে আমাদের স্বার্থরক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নে আরও অধিক অবদান রাখবে।