চলন্ত বাসে রোহিঙ্গা তরুণীকে ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার ২

ভুক্তভোগী ভিকটিম একজন রোহিঙ্গা নাগরিক ও কক্সবাজার উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ১ নম্বর বল্কের বাসিন্দা। সে গত ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, তারিখ উখিয়ার কুতুপালং (ক্যাম্প-১) আশ্রয় শিবির থেকে পালিয়ে কাজের সন্ধানে চট্টগ্রাম শহরে আসে।

সেখানে কাজ না পেয়ে গত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, তারিখ চট্টগ্রাম টু কক্সবাজার রুটের একটি বাস যোগে পুনরায় কুতুপালং আশ্রয় শিবিরে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে বাসের ভাড়া দিতে না পারায় ঐ বাসের সুপারভাইজার দুপুরের দিকে তাকে চকরিয়া পৌরসভার বাস টার্মিনালে নামিয়ে দেয়। বাস থেকে নেমে তরুণী টার্মিনালের এক পাশে দাড়িয়ে থাকে।

ঐদিন দুপুর ১ টার দিকে অন্য একটি পরিবহনের সহকারী বাসচালক ফারুক তাকে কোথায় যাবেন জিজ্ঞাসা করলে তখন ভুক্তভোগী তরুণী উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয় শিবিরে যাবে বলে জানায়। তরুনীর কথা মতে সহকারী বাসচালক ফারুক তাদের বাসে করে তাকে উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয় শিবিরে পৌঁছে দিবে বলে একটি খালি বাসে উঠায়।

পরবর্তীতে উক্ত বাস করে তরুণীকে চকরিয়া পৌরসভার বাটাখালী ব্রিজ এলাকায় নিয়ে চালক-সুপারভাইজার ও হেলপার মিলে বাসের ভিতর দলবদ্ধ ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় ওই তরুণী চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে তখন বাসের চালক ও সুপারভাইজার পালিয়ে যায় এবং বাসের হেলপারকে স্থানীয় লোকজন আটক করে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

উক্ত ঘটনায় ভুক্তভোগী ভিকটিম রোহিঙ্গা তরুণী বাদী হয়ে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানায় উল্লেখিত বাসের ড্রাইভার, সুপারভাইজার ও হেলপারসহ সর্বমোট জনকে আসামী করে দলবদ্ধ ধর্ষণ চেষ্ঠার একটি মামলা দায়ে করে, যার নং-২৩, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিঃ, ধারা- ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী-০৩) এর ১০/৩০।