জন্মের ১৬ ঘণ্টা পর মারা গেল চার সন্তানের একটি

বিয়ের আট বছর পর মঙ্গলবার রাতে সন্তান প্রসব করেন আদুরী। ছবি: নিউজবাংলারংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মনিকা মজুমদার জানান, বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে শিশুটি মারা গেছে। তার ওজন ছিল ১ কেজি ৩০০ গ্রাম। বাকি শিশুদেরও ওজন কম। তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে কিন্তু শঙ্কামুক্ত নয়।

বিয়ের আট বছর পর কুড়িগ্রামের আদুরী বেগম আশা ও মো. মনিরুজ্জামান দম্পতির কোলজুড়ে এসেছিল একসঙ্গে চার সন্তান। তবে সন্তান লাভের আনন্দ ফিকে হয়ে গেছে এই দম্পতির।

জন্মের ১৬ ঘণ্টা পর মারা গেছে তাদের ছেলে সন্তানটি। বাকি তিন মেয়ের অবস্থাও শঙ্কামুক্ত নয়।ওই শিশুদের চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মনিকা মজুমদার জানান, বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে শিশুটি মারা গেছে।

তার ওজন ছিল ১ কেজি ৩০০ গ্রাম। বাকি শিশুদেরও ওজন কম। তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে কিন্তু শঙ্কামুক্ত নয়।চিকিৎসক মনিকা বলেন, ‘শিশুগুলোকে অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে। তাদের যে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন সেই সাপোর্ট আমাদের নেই। আমাদের যা আছে তা দিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। ৪৮ ঘণ্টার আগে কিছু বলা যাচ্ছে না।’

শিশুদের বড় চাচি আম্বিয়া বেগম বলেন, ‘আমার দেবর মনিরুজ্জামানের চারটা বাচ্চার মধ্যে একটা ছেলে ছিল। আমরা খুব খুশি হইছিলাম। আল্লাহ ছেলেটাকে নিয়ে নিল। খুব কষ্ট হচ্ছে।’ছেলে হারিয়ে মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমি এখন কিছু বলতে পারব না। ছেলেটা মারা গেছে। দোয়া করেন আল্লাহ যেন আমার বাকি ধনদের ভালো রাখে।’।

মঙ্গলবার সকাল থেকে অসুস্থবোধ করলে চিকিৎসকদের পরামর্শে আদুরীকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১১ নম্বর গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি চার সন্তানের জন্ম দেন।