ঢাবির অনলাইন পরীক্ষা যেভাবে হবে | Tech Max
Instant ArticlesInstant Edu

ঢাবির অনলাইন পরীক্ষা যেভাবে হবে

এর আগে ১ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের বিশেষ সভার সিদ্ধান্ত ছিল স্নাতক বিভিন্ন বর্ষ এবং স্নাতকোত্তরের পরীক্ষা জুলাই থেকে সশরীর শুরু হবে। যদি লকডাউন বা করোনা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে, তাহলে পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়া হবে।

এদিকে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঠেকাতে আগামী বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে সারা দেশে কঠোর লকডাউন ঘোষণা হয়েছে। এ অবস্থায় পরীক্ষা নেওয়া হবে কি না, তা–ও জানা যাবে।

অনলাইন পরীক্ষাসংক্রান্ত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে:

ক. প্রস্তুতি পর্ব

১. পরীক্ষা নেওয়ার জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুতকরণ

অনলাইনে ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার জন্য গুগল ক্লাসরুম ব্যবহার করতে হবে। প্রতি সেমিস্টার/বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ক্লাসরুম খোলা হবে। সংশ্লিষ্ট সেমিস্টার/বর্ষের পরীক্ষা কমিটি গুগল ক্লাসরুম খুলবে এবং এ ক্ষেত্রে অবশ্যই ইনস্টিটিউশনাল ই–মেইল আইডি ব্যবহার করতে হবে। শিক্ষার্থীদের তাদের নিজ নিজ সেমিস্টার/বর্ষের জন্য তৈরি করা গুগল ক্লাসরুম এ পরীক্ষা শুরুর অন্তত তিন দিন আগে জয়েন করতে হবে। সব পরীক্ষার্থী নির্ধারিত ক্লাসরুমে জয়েন করতে পেরেছে কি না বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সেমিস্টার/বর্ষের পরীক্ষা কমিটি নিশ্চিত করবে।

প্রতিটি পরীক্ষার জন্য আলাদা অ্যাসাইনমেন্ট খোলা হবে। প্রদত্ত অ্যাসাইনমেন্টে নির্ধারিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সংযুক্তি হিসেবে থাকবে, যা পরীক্ষা শুরুর পাঁচ মিনিট আগে গুগল ক্লাসরুমে প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থীরা সংযুক্ত প্রশ্নপত্রটি নিজ কম্পিউটার বা মোবাইলে ডাউনলোড করতে পারবেন।

প্রত্যবেক্ষণের জন্য অনলাইন মিটিং প্ল্যাটফর্ম জুম ব্যবহার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই BdREN থেকে দেওয়া জুমের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে হবে।

২. প্রশ্নপত্র প্রণয়নসংক্রান্ত

*পরীক্ষার নম্বর ও সময়: প্রচলিত পদ্ধতির অর্ধেক সময়ে এবং ফাইনাল পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত নম্বরের অর্ধেক নম্বরে পরীক্ষা নিতে হবে। ফলবিন্যাসের সময় নম্বর দ্বিগুণ করে পূর্ণ নম্বরে রূপান্তরিত করতে হবে।

*দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত ১০ মিনিট সময় পাবেন।

* প্রশ্নের ধরনসংক্রান্ত: প্রচলিত পদ্ধতিতে ফাইনাল পরীক্ষার জন্য যে ধরনের প্রশ্ন করা হয় (যেমন বর্ণনামূলক, বহুনির্বাচনী, সংক্ষিপ্ত ইত্যাদি) এ ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্নই করা হবে। তবে বিভাগের একাডেমিক কমিটি চাইলে এর পরিবর্তন করতে পারবে। উভয় ক্ষেত্রেই বিভাগ থেকে সব পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক সপ্তাহ আগে প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

*প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মডারেশনসংক্রান্ত: পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মডারেশন প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হবে। মডারেশন কোনো অবস্থাতেই অনলাইনে করা যাবে না।

৩. পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে সরবরাহ করা তালিকা

যেকোনো সেমিস্টার/বর্ষের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কয়েক দিন আগেই সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কমিটি ওই সেমিস্টার/বর্ষের পরীক্ষার ফরম পূরণ করা পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার রোল নম্বর ও ই–মেইল অ্যাড্রেসের তালিকা এক্সেল ফরম্যাটে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে সংগ্রহ করবেন। এই তালিকায় থাকা ই–মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করে পরীক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট গুগল ক্লাসরুমে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। তা ছাড়া ছবিসহ পরীক্ষার্থীদের নামের তালিকাও পিডিএফ ফরম্যাটে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এ তালিকায় প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর নামের বিপরীতে প্রত্যবেক্ষকের স্বাক্ষর করার জায়গা থাকবে।

৪. দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বিষয়ে করণীয়

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা নিজ দায়িত্বে তার চেয়ে কম শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন একজন শ্রুতলেখক নির্বাচন করতে পারবেন। শ্রুতলেখকের শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যায়িত প্রমাণপত্র, সংক্ষিপ্ত পরিচিতি, ছবি ও ফোন নম্বর পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৭ দিন আগে বিভাগ/ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান/পরিচালক এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের ই–মেইলে পাঠিয়ে দিতে হবে।

খ. পরীক্ষা অনুষ্ঠান

* অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারসংক্রান্ত

জুমে জয়েন করার ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই নামের পরিবর্তে কেবল পরীক্ষার রোল নম্বর ব্যবহার করতে হবে। যদি কোনো পরীক্ষার্থী এর ব্যত্যয় ঘটায় সে ক্ষেত্রে প্রত্যবেক্ষকদের একজন তাকে রিনেম করে দেবেন। পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর অন্তত ১৫ মিনিট আগে জুমে জয়েন করতে হবে। প্রতিটি পরীক্ষার অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কমিটি গুগল ক্লাসরুমের স্ট্রিমে জুমের আইডি পাসওয়ার্ড এবং জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্য অন্তত তিনটি মোবাইল নম্বর পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে শেয়ার করবেন। পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই ভিডিও সচল রেখে দৃশ্যমান থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

* উত্তরপত্র–সংক্রান্ত

অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত উত্তরপত্র ব্যবহারের সুযোগ নেই বিধায় উত্তরপত্রের কাভার পৃষ্ঠার এডিটেবল সফট কপি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক দিন আগে গুগল ক্লাসরুমের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হবে। পরীক্ষা কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত পরীক্ষার খাতার অনুকরণে এই কাভার পৃষ্ঠা। প্রস্তুত করবেন। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রয়োজনীয় তথ্য ওই সফট কপিতে পূরণ করে প্রিন্ট করবেন অথবা সেটি প্রিন্ট নিয়ে হাতে পূরণ করবেন অথবা প্রিন্টার না থাকলে এ–ফোর সাইজের সাদা কাগজে তার অনুলিপি প্রস্তুত করে রাখবেন। উত্তরপত্র স্ক্যান করার সময় এই পাতাটিকে প্রথম পাতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
পরীক্ষার্থীরা এ–ফোর সাইজ কাগজে নিজ হাতে প্রশ্নের উত্তর লিখবে এবং উত্তরপত্রের প্রতি পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠা নম্বর এবং পরীক্ষার রোল নম্বর লিখতে হবে।

৫. উত্তরপত্র জমা দেওয়া–সংক্রান্ত

পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীদের তাদের উত্তরপত্র স্ক্যান করে/ছবি তুলে একটি সিঙ্গেল পিডিএফ ফাইল আকারে গুগল ক্লাসরুমের যে অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়েছিল সেই একই অ্যাসাইনমেন্টের বিপরীতে অ্যাটাচমেন্ট আকারে (কাভার পৃষ্ঠাসহ) পরীক্ষার সময় শেষ হওয়ার ১০ থেকে ৩০ মিনিট (বিভাগ/ইনস্টিটিউট কর্তৃক পূর্বনির্ধারিত) সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে। একজন পরীক্ষার্থী একটির বেশি ফাইল আপলোড করতে পারবে না। আপলোডকৃত ফাইলের নামকরণের ক্ষেত্রে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই একটি কমন ফরম্যাট ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে পরে সব ফাইল ডাউনলোড করে কোনো ফোল্ডারে সংরক্ষণ করার পর কোনো পরীক্ষার্থী কোনো ফাইল আপলোড করেছে, তা নির্ণয় করা দুরূহ হয়ে পড়বে। ফাইলের নামের ফরম্যাট হতে হবে *কোর্স কোড_পরীক্ষার রোল নম্বর’। বিষয়টি অবশ্যই আগে থেকে পরীক্ষার্থীদের অবহিত করতে হবে (গুগল ক্লাসরুমের স্ট্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে) এবং পরীক্ষা শুরুর আগে প্রত্যবেক্ষকেরা পরীক্ষার্থীদের বিষয়ে আবার অবহিত করবেন।

উত্তরপত্রের স্ক্যানকৃত stream ফাইলটি অ্যাসাইনমেন্টের বিপরীতে অ্যাটাচ করা হয়ে গেলে অ্যাসাইনমেন্টটি ‘টার্ন ইন’ করার বিষয়ে প্রত্যবেক্ষকেরা বারবার সতর্ক করবেন। উত্তরপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পর প্রত্যবেক্ষকেরা সব পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র জমা দেওয়া এবং টার্ন-ইন করার বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। এটি নিশ্চিত হওয়ার পরই একজন পরীক্ষার্থী জুম-মিটিং ত্যাগ করতে পারবেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে গুগল ক্লাসরুমে উত্তরপত্র জমা না নিয়ে পরীক্ষা কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত কোনো একটি ইনস্টিটিউশনাল ই–মেইল আইডিতেও পরীক্ষার্থী উত্তরপত্র ই–মেইলে অ্যাটাচমেন্ট আকারে প্রেরণ করতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই পরীক্ষা কমিটির উপস্থিত সদস্যের অনুমতির প্রয়োজন হবে।

৬. মৌখিক পরীক্ষাসংক্রান্ত

মৌখিক পরীক্ষা অনলাইনে জুম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নেওয়া যাবে।

৭. ব্যবহারিক পরীক্ষাসংক্রান্ত

যেসব বিভাগ/ইনস্টিটিউটে ব্যবহারিক কোর্স রয়েছে সেসব ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর সশরীর উপস্থিতি আবশ্যক না হলে অনলাইনে ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ করা যেতে পারে।

পরীক্ষা–পরবর্তী কার্যক্রম

১.উত্তরপত্র পরীক্ষকের কাছে বিতরণসংক্রান্ত

পরীক্ষা শেষে বিভাগ বা ইনস্টিটিউটে উপস্থিত পরীক্ষা কমিটির সদস্য বিভাগ বা ইনস্টিটিউটের অফিসের সহায়তায় উত্তরপত্রগুলোকে গুগল ক্লাসরুমের জন্য নির্ধারিত গুগল ড্রাইভ থেকে অথবা বিশেষ পরিস্থিতিতে ই–মেইলে উত্তরপত্র প্রেরিত হলে সেটিকে ই–মেইল থেকে একটি কম্পিউটারে ডাউনলোড করবেন। ডাউনলোড করা সব উত্তরপত্রের সফট কপি পরীক্ষা কমিটি সংরক্ষণ করবেন। তা ছাড়া ডাউনলোড করা উত্তরপত্রের সফট কপি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিস এবং প্রথম ও দ্বিতীয় পরীক্ষকের সঙ্গে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার দিনই শেয়ার করতে হবে। উত্তরপত্র শেয়ার করার জন্য পেনড্রাইভ অথবা গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করা যেতে পারে; এ বিষয়ে পরীক্ষা কমিটি সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকেরা এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।

পরীক্ষকেরা উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য উত্তরপত্রের সফট কপি ব্যবহার করতে পারবেন। যদি কোনো পরীক্ষক উত্তরপত্রের হার্ড কপি দেখে মূল্যায়ন করতে চান, তবে তা পরীক্ষা কমিটিকে আগে থেকে জানাতে হবে এবং পরীক্ষা কমিটি বিভাগ বা ইনস্টিটিউট এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে উত্তরপত্রসমূহ প্রিন্ট করে পরীক্ষককে সরবরাহ করার ব্যবস্থা করবেন।
প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করে পরীক্ষকেরা উত্তরপত্র (হার্ড কপি রিসিভ করে থাকলে) ও নম্বরপত্র জমা দেবেন।

২. টেবুলেশন

প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করে টেবুলেশন ও পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে হবে।

বিবিধ

যান্ত্রিক ত্রুটির ক্ষেত্রে করণীয়

বৈদ্যুতিক বা যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা ইন্টারনেট–সংশ্লিষ্ট প্রতিবন্ধকতার কারণে কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা চলার সময়ে জুম (Zoom) থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে অথবা উত্তরপত্র নির্ধারিত সময়ে আপলোড করতে ব্যর্থ হলে তাকে অনধিক পাঁচ (৫) মিনিটের মধ্যে মোবাইল ফোনে প্রত্যবেক্ষককে অবহিত করতে হবে।

পুনঃপরীক্ষা গ্রহণ–সংক্রান্ত

বৈদ্যুতিক বা যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা ইন্টারনেট–সংশ্লিষ্ট প্রতিবন্ধকতার কারণে কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে প্রত্যবেক্ষকের সুপারিশসহ পরীক্ষার্থীর লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী পুনঃপরীক্ষা নেওয়া হবে। কোনো পরীক্ষার্থী যদি অনলাইন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করে সে ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

অনলাইন কর্মশালা আয়োজনসংক্রান্ত

পরীক্ষা গ্রহণসংক্রান্ত উপরিউক্ত যাবতীয় কার্যক্রম Google Classroom এবং Zoom-এর মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পরীক্ষা কমিটির সদস্য, প্রত্যবেক্ষক এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে কর্মশালা আয়োজন করা হবে। এ কর্মশালা বিভাগ বা ইনস্টিটিউট অথবা অনুষদ পর্যায়ে হতে পারে।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে গুগল ক্লাসরুমে পরীক্ষা দেওয়া ও নেওয়ার কর্মকৌশল–সংক্রান্ত দুটি ভিডিও টিউটরিয়াল অচিরেই প্রকাশ করা হবে। এই নির্দেশিকায় বলা নেই এমন কোনো সমস্যার উদ্ভব হলে পরীক্ষা কমিটি তার সমাধান দিতে পারবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button