পা.চা,র হতে যাওয়া ২৩ নারী রাজধানী থেকে উদ্ধার

পাচার হতে যাওয়া ২৩ নারী রাজধানী থেকে উদ্ধার

রাজধানীর মিরপুর, উত্তরা ও তেজগাঁওয়ে অভিযান চালিয়ে বিদেশে পাচার হতে যাওয়া ২৩ নারীকে উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং র‌্যাব সদর দফতরের গোয়েন্দা বিভাগের সহযোগিতায় র‌্যাব-৪ এর একাধিক দল তাদের উদ্ধার করে।

শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) রাতে র‌্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

নৌকা-বিদ্রোহী সংঘর্ষ, তিন মোটরসাইকেলে আগুন
ছবি: প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কাতলাগাড়ি বাজারে মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে নৌকা প্রার্থীর শোডাউনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৭/৮ জন আহত ও নৌকা প্রার্থীর সমর্থকের তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। রণক্ষেত্রে পরিণত হয় কাতলাগাড়ি বাজার।

পুলিশ ও প্রত্যাক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শৈলকুপার সারুটিয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রার্থী মাহমুদুল ইসলাম মামুন তার বাবার কবর জিয়ারত করে বাখরবা গ্রাম থেকে শৈলকুপায় আসছিলেন। পথিমধ্যে কাতলাগাড়ি বাজারে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী জুলফিকার কায়সার টিপুর নির্বাচনী অফিসের সামনে তারা উস্কানিমূলক স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস থেকে তার সমর্থকরা প্রতিউত্তর দেয়ার চেষ্টা করে।

এভাবে একসময় উভয় পক্ষের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান শুরু হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ ঘটনায় ভাটবাড়িয়ার আজিবর মেম্বর, আব্দুল আলীম, গোসাইডাঙ্গা গ্রামের বিপ্লব, ফারুক, আইজাল, আব্দুল, ফল্টুসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
সারুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নৌকার প্রার্থী মাহমুদুল হাসান মামুন জানান, তারা নৌকার মনোনয়ন ফরম আনতে দলীয় মাতব্বর ও নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঝিনাইদহে এমপি আব্দুল হাইয়ের কাছে যান। মনোনয়ন ফরম নিয়ে ঝিনাইদহ থেকে বিকেলে নিজ ইউনিয়নের কাতলাগাড়ী বাজারে পৌঁছায়। এ সময় প্রতিপক্ষ জুলফিকার কাইসার টিপুর বাহিনী তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার শিকার হয়ে তারা মোটরসাইকেল ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যান। এ সময় প্রতিপক্ষরা বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে ও তিনটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়।

হামলায় তার বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন নৌকার প্রার্থী মাহমুদুল হাসান মামুন। নৌকার মনোনয়ন ফরম ছিনিয়ে নিতে ও এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এ হামলা করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বিদ্রোহী প্রার্থী জুলফিকার কাইসার টিপু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মামুনের সমর্থকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে এই সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সমর্থক জড়িত নয়।

শৈলকুপার থানার ওসি রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাতলাগাড়ী বাজারে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখনো কেউ মামলা করেননি।