ফেসবুকে হতা-শার কথা লিখে রাবি শিক্ষার্থীর আ’ত্ম;হ”ত্যা

আরিয়ান নামে কায়েসের এক সহপাঠী জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে রুমের দরজা বন্ধ করে ফাঁ-স দিয়ে আ,ত্ম,হ,ত্যা করে কায়েস।

ঘটনার কিছু দিন আগে মায়ের কাছে মোটরসাইকেল কিনতে চেয়েছিল।

মোটরসাইকেলও কিনে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ঘটনার আগে একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনতে চায়। কিন্তু মধ্যরাতে ক্যামেরা কিনতে যাওয়া যাবে না বলে মা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে।

এরপর সে রুমের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেয়। পরে রুমের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।



Related Posts
1 of 71

তার সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কায়েস মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল। পুনর্বাসন কেন্দ্রেও ছিল কিছু দিন। এর মধ্যে বিভাগের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হলে সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে ভর্তিও হয়েছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইমরুলের টাইমলাইনে কয়েক দিন ধরে হতাশা আর আত্মহত্যা নিয়ে পোস্ট করতে দেখা যাচ্ছিল।

ব্যর্থতা আত্মহত্যার মূল এবং পরিচিত কয়েকজনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি পোস্ট করছিলেন। সেই ছবিতেও হতাশামূলক ক্যাপশন দিতে দেখা গেছে।

Souce: dhaka Post

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More