বাবা চেয়ারম্যান, ছেলে হলেন মেম্বার

বাবা চেয়ারম্যান, ছেলে হলেন মেম্বার

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ। তার ছেলে মুফতি নুরুল্লাহ খালিদ ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) নির্বাচিত হয়েছেন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে ৪ হাজার ৭৬৮ ভোট পেয়ে খালেদ সাইফুল্লাহ বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন রাজন রাজু ৩ হাজার ৭৯৭ ও নৌকার প্রার্থী নুরুল ইসলাম সাগর ১ হাজার ৫১৩ ভোট পেয়েছেন। এদিকে খালেদ সাইফুল্লাহর ছেলে নুরুল্লাহ খালিদ ৭০০ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হন।

এ ব্যাপারে খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, আল্লাহর রহমতে সততার সঙ্গে ৫ বছর পরিষদ চালিয়েছি। মানুষকে ন্যায্য অধিকার পাইয়ে দিয়েছি। উৎসবমুখর পরিবেশে তারা আমাকে ও আমার ছেলেকে ভোট দিয়ে জয়ী করেছেন। জনগণের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। আমি চাই, আমার ওয়ারিশরা যেন সারাজীবন জনগণের খেদমত করতে পারে। সূত্র : কালের কণ্ঠ

বিমার টাকার জন্য রেলের চাকার তলায় বলি দিলেন দুই পা! ক্ষতিপূরণ দিতে আদালতের ‘না’

Related Posts
1 of 151

বিমার টাকা আদায়ের জন্য রেলের চাকার তলায় বলি দিয়েছিলেন দু’টি পা! কিন্তু এমন ‘আত্মত্যাগেও’ লক্ষ্যপূরণ হলো না হাঙ্গেরির এক ব্যক্তির। বিমা কোম্পানির তোলা ‘সাজানো দুর্ঘটনার’ যুক্তিই মেনে নিয়েছে আদালত।

ঘটনাটি ২০১৪ সালের। হাঙ্গেরির নেয়ার্কসসজরির বাসিন্দা ৫৪ বছরের সেন্ডর নিজের অঙ্গগুলোর ওপর মোট ২৪ লাখ ইউরোর (বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ২৫ কোটি টাকা) ১৪টি বিমা করিয়েছিলেন। এর কিছু দিন পরই রেললাইনে পা জোড়া কেটে চলন্ত ট্রেনের চাকায় কেটে ফেলার বন্দোবস্ত করেন। তার পর বিমা সংস্থাগুলোর কাছে ক্ষতিপূরণের আবেদন জানান।

কিন্তু দুর্ঘটনার ‘ধরন’ নিয়ে সন্দেহ হওয়ার ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করে বিমা সংস্থাগুলো। ফলে বিষয়টি গড়ায় আদালতে। বুধবার হাঙ্গেরির ‘পেস্ট সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট’ বিমা সংস্থাগুলোর যুক্তি মেনে নিয়ে জানিয়েছে, সেন্ডর ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রেনের চাকার তলায় পা রেখেছিলেন। তাই তিনি ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য নন। জালিয়াতির অভিযোগে, সেন্ডরের দু’বছরের জেল এবং ৪,৭০০ ইউরো (প্রায় ৪৬ লাখ টাকা) জরিমানাও করেছেন বিচারক। যদিও শারীরিকভাবে বিকলাঙ্গ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে জেলে নাও যেতে হতে পারে।

প্রকাশিত খবরে দাবি, কয়েক দিনের ব্যবধানে ১৪টি বিমা করানোর পর যেভাবে সেন্ডর পা হারিয়েছিলেন, তাতেই সন্দেহ দানা বাঁধে বিচারকের মনে। পাশাপাশি, মধ্য আয়ের ওই ব্যক্তি কেন হঠাৎ বিপুল অঙ্কের বিমা করেছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল বিস্তর।

দীর্ঘ সাত বছরের শুনানি-পর্বে অবশ্য সেন্ডর বার বার দাবি করেছেন, রেললাইনের পাশে পড়ে থাকা কাচের টুকরোয় পিছলে গিয়েই তার পা জোড়া চলন্ত ট্রেনের চাকার তলায় চলে গিয়েছিল। পাশাপাশি যুক্তি দিয়েছিলেন, ব্যাংকের চেয়ে বেশি লাভজনক হওয়ার কারণেই বিমায় লগ্নি করেছিলেন তিনি। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More