বার্সায় ১০ নম্বর জার্সি পরবেন আগুয়েরো

যে বার্সেলোনার সঙ্গে লিওনেল মেসির নামটা লেপ্টে গেছিল, তিনি এখন ফরাসি ক্লাব পিএসজির প্লেয়ার। আর্জেন্টাইন তারকা কাতালান ক্লাবটি থেকে চলে যাওয়ায় তার ১০ নম্বর জার্সিটি এখন খালিই আছে।

লা লিগায় কোনো জার্সিকে অবসরে পাঠানোর নিয়ম না থাকায় বার্সার যে কারও সামনে সুযোগ আছে সেটি পরার, সুযোগ আছে সার্জিও আগুয়েরোরও। কিন্তু এই স্ট্রাইকার নাকি নিজেই সেটি নিতে চান না, মেসির বিখ্যাত এই জার্সিটি পরার সাহসই তার নেই।

ম্যানচেস্টার সিটি থেকে বার্সেলোনায় নাম লেখানো সার্জিও আগুয়েরো নতুন ক্লাবে পরবেন ১৯ নম্বর জার্সি। বিখ্যাত স্প্যানিশ উপস্থাপক ইবাই লানোসের সঙ্গে টুইচ চ্যানেলের এক লাইভে এ কথা বলেন আগুয়েরোর সতীর্থ জেরার্ড পিকে।

পিকেকে লানোস বলেন, বার্সার মেসির রেখে যাওয়া ১০ নম্বর জার্সিটি হয়তো কেউই পরবে না। কারও হয়তো এই সাহস নেই। প্রতিক্রিয়ায় পিকে বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম কেউ হয়তো এটি পরতে চাইবে। সে কারণে আগুয়েরোকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, সে এটি নিতে চায় কি না। ব্যাপারটি নিয়ে আগুয়েরোও দ্বন্দ্বে আছে।’



Related Posts
1 of 5

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টে নাকি সার্জিও আগুয়েরো পিকের এমন প্রশ্নে সরাসরি না-বোধক উত্তর দিয়েছেন, বলেছেন মেসির বিখ্যাত এই জার্সি গায়ে চাপানোর সাহসই তার নেই। জানাচ্ছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা।

আগুয়েরো মেসির রেখে যাওয়া জার্সি না পরলে সেটি কার পরার সম্ভাবনা আছে? কেউ কেউ এই প্রশ্নের উত্তরে মেম্ফিস ডিপাইয়ের নামও ভেবে নিতে পারেন। ডাচ এই তারকা এর আগে যে অলিম্পিক লিঁওতেও ১০ নম্বর জার্সি পরেই খেলতেন। কিংবা ১০ নম্বর জার্সি পেতে পারেন ফিলিপে কৌতিনহোও।

ওদিকে মেসি পিএসজিতেও গিয়েও ১০ নম্বর জার্সি পাচ্ছেন না। যদিও চাইলেই পিএসজিতেও এই জার্সিটি পেতে পারতেন তিনি। যেটি এখন পরে খেলেন মেসির অত্যন্ত কাছের বন্ধু নেইমার জুনিয়র। নেইমার মেসিকে ১০ নম্বর জার্সি নেওয়ার কথাও বলেছিলেন।

কিন্তু মেসি নিজেই নাকি সেটি নেইমারের গায়ে দেখতে চেয়েছেন। মেসি নিজে পরবেন ৩০ নম্বর জার্সিটি। বার্সেলোনাতেও শুরুর সময়টাও ৩০ নম্বর জার্সি পরে খেলেছিলেন তিনি। কিন্তু ফরাসি লিগে এত দিন ১, ১৬ আর ৩০ নম্বর জার্সিটা বরাদ্দ ছিল গোলরক্ষকদের জন্য।



মেসি গোলরক্ষক না হয়েও ৩০ নম্বর জার্সি পরে খেলবেন। তার জন্যই যে আগের নিয়মে বদল আনতে চলেছে লিগ ম্যানেজমেন্ট।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More