বোনকে ধর্ষণ চেষ্টা, মুখে বালিশ চেপে ধরে বাবা-মা, পুরুষাঙ্গ কাটে বোন!

নিখোঁজ হওয়ার ১৮ দিন পর বাড়ির পাশের ডোবা থেকে হাসান (১৮) নামে এক যুবকের মর’দে’হ উ’দ্ধার করে পু’লিশ।হাসান উপজে’লার ইউনিয়নের বাজার সংল’গ্ন এলাকার বাসিন্দা। হাসানের পরিবার হ’ত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পু’লিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও মাত্র

একদিনের মাথায় হ’ত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে থানা পু’লিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অ’পরাধে হাসানের বাবা শামীম মিয়া (৪০), মা হাসিনা বেগম (৩৮) ও ছোট বোন শিলা (১৫)কে আট’ক করা হয়েছে জানিয়েছে থানার অফিসার

ইনচার্জ বলেছেন, পু’লিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছেলেটির বাবা মা ও বোন তাকে হ’ত্যার কথা স্বীকার করেছে। তিনি আরো জানান, ঘটনার ১৮ দিন পর শুক্রবার লা’শ উ’দ্ধার করে পু’লিশ।

তবে বাড়ির এতো কাছে লা’শ পাওয়া যাওয়া এবং হ’ত্যাকাণ্ড নিয়ে স্বজনদের অসংল’গ্ন বক্তব্যে প্রথম থেকে সন্দে’হ হয় পু’লিশের।

ছেলেটির মা হাসিনা বেগম বলেন, তিনি স্বপ্নে দেখেছেন প্রতিবেশী শাহ আলম তার ছেলেকে হ’ত্যা করে লা’শ ডোবায় ফেলে রেখেছে। হাসানের মায়ের এই বক্তব্যে সন্দে’হ আরও বাড়তে থাকে পু’লিশের।

তবে ছেলেটি মা’দকাসক্ত থাকায় এবং স্থানীয় প্রভাবশালী ছেলের সাথে বিরোধ থাকায় পু’লিশ সবগু’লো বি’ষয় মাথায় নিয়ে এগোতে থাকে।

এদিকে এ বি’ষয়ে আট’ককৃতদের রাতভর জিজ্ঞাসাবাদে ছেলেটির বাবা-মা এবং বোন তাকে হ’ত্যা করার কথা স্বীকার করে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, মা’দকাসক্ত হাসান রাতে তার আপন ছোট বোন শিলা (১৫) প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাথরুমে যাওয়ার পথে তাকে জড়িয়ে ধরে।

এ সময় সে তাকে ধ’র্ষণ করার চেষ্টা করলে তার আ’ত্মচিৎকারে বাবা-মা ছুটে আসেন। এ সময়ে রাগের মাথায় হাসানের মা হাসিনা বেগম তাকে ঘরে নিয়ে মুখে বালিশ চেপে ধরেন আর বাবা শামীম মিয়া তার হাত-পা ধরে রাখেন এবং ছোট বোন শিলা ধা’রালো ছু’রি

দিয়ে তার পুরুষা’ঙ্গ কে’টে মৃ’ত্যু নিশ্চিত করেন। আ’সামিদের দেওয়া তথ্যমতে পু’লিশ হ’ত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছু’রি এবং গামছা উ’দ্ধার করেছে। জে’লা সার্কেলের অতিরিক্ত পু’লিশ সুপার জানান, নি’হতের স্বজনরা প্রতিপক্ষ এক জনের উপর দায় চাপাতে চেয়েছিল।

তারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে বারবার পু’লিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। তবে তাদের কথায় বিভ্রান্ত হয় নি পু’লিশ। সঠিক ত’দন্ত শেষে এই হ’ত্যাকাণ্ডের

রহস্য উন্মোচিত করেছেন তারা।

এদিকে ছোট বোনকে ধ’র্ষণ চেষ্টা আর বাবা মা কর্তৃক নিজের ছেলেকে হ’ত্যার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সুশীল সমাজ বি’ষয়টিকে সামাজিক অবক্ষয়ের চূড়ান্ত পরিণতি বলে অ’ভিহিত করেছেন।