ভাইকে মাথায় তুলে ১০০ সিঁড়ি ভেঙে বিশ্বরেকর্ড

ভাইকে মাথায় তুলে ১০০ সিঁড়ি ভেঙে বিশ্বরেকর্ড

ভিয়েতনামিজ বংশোদ্ভূত সহোদর গিয়াং কুয়োক কো ও গিয়াং কুয়োক নিয়েপ। এক ভাই উল্টো করে অন্য ভাইকে মাথায় তুলে নিয়ে দ্রুততম সময়ে ১০০ সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠছেন। এমন চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিশ্চয় আপনার চোখে পড়েছে। এই অসাধ্য সাধন করে তারা গড়েছেন বিশ্বরেকর্ড।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে সম্প্রতি বিচিত্র এই কাজের জন্য নাম উঠেছে তাদের। তবে অপর এক ব্যক্তিকে উল্টো করে মাথায় নিয়ে স্বল্প সময়ে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার জন্য আগেও বিশ্ব রেকর্ড করেছিলেন তারা। এবার নিজেদের রেকর্ড নিজেরাই ভেঙেছেন দুই ভাই।

এর আগে ২০১৬ সালে এই রেকর্ড গড়েছিলেন গিয়াং কুয়োক কো ও গিয়াং কুয়োক নিয়েপ। এ সময় তারা একইভাবে ওই ক্যাথেড্রালের ৯০টি সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠেছিলেন। ২০১৮ সালে তাদের সেই রেকর্ড ভেঙে দেন পেরুর জিমন্যাস্ট পাবলো নোনাতো পানদুরো ও জোয়েল ওয়াইকেট সাভেদ্রা। তারা ৯১টি সিঁড়ি ভেঙেছিলেন। এখন আবারও এই রেকর্ড গিয়াং কুয়োক সহোদরের দখলে গেল।

৩৭ বছর বয়সী বড় ভাই গিয়াং কুয়োক কোর। আর ছোট ভাই গিয়াং কুয়োক নিয়েপের বয়স ৩২ বছর। তারা সার্কাসে কাজ করেন। সম্প্রতি এই দুই ভাই স্পেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কাতালোনিয়া অঞ্চলের সেইন্ট ম্যারি’স ক্যাথেড্রালের বাইরের সিঁড়িতে তাদের নৈপুণ্য দেখান।

ওই ক্যাথেড্রালে সিঁড়ি রয়েছে ৯০টি। এ জন্য বাড়তি আরও ১০টি সিঁড়ি যোগ করা হয়েছিল। দুই ভাই ভারসাম্য রক্ষা করে মাত্র ৫৩ সেকেন্ডে ১০০টি সিঁড়ি ভেঙে ওপরে ওঠেন। এর মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তিকে মাথার ওপরে উল্টো করে নিয়ে দ্রুত ১০০ সিঁড়ি ভাঙার নতুন রেকর্ড গড়েন এই দুই ভাই।

আরো একটি নিউজ পড়ুন,,,,,,

দুধের ফিডারে শেষ চুমুক দেওয়ার আগেই পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে শিশুটি
সুগন্ধা নদীতে অভিযান-১০ লঞ্চের ডেকে গতকাল শনিবার সকালে গিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে শিশুর ফিডারটি। এ দৃশ্য দেখে নানা প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। হয়তো দুধের ফিডারে শেষ চুমুক দেওয়ার আগেই পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে শিশুটি। ডেক ঘুরে দেখতেই চোখে পড়ল হাতের চুড়ি। দুই সেট চুড়ির সাইজ অনুযায়ী এটা ৫ বছর বয়সী কোনো শিশুরই।

আর এমন অসংখ্য শিশুর পুড়ে নিঃশেষ হওয়ার কথা বলছেন অভিযান-১০ লঞ্চে যাত্রীদের প্রথম উদ্ধারে যাওয়া বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। এ সময় ঝালকাঠি লঞ্চঘাট এলাকার বাসিন্দা সফিউদ্দিন বলেন, ‘আমরা তো সেই ভোর থেকে যাত্রীদের বাঁচাতে চেষ্টা করছিলাম। কতজনকে বাঁচাতে পেরেছি জানি না। তবে পুড়ে ছাই হয়েছেন বহু মানুষ। এর সঠিক হিসাব, আমি কেন, কেউ বলতে পারবে না।’

এ সময় পোনাবালিয়া এলাকার বাসিন্দা অনিমেশ মণ্ডল বলেন, ‘লঞ্চের ডেকে উইঠা অনেক লাশই দেখছি। অনেক জায়গায় মানুষের শরীরের নানা অংশ পোড়া অবস্থায় দেখেছি। কয়েক জায়গায় শিশুদের দুধের ফিডার, হাতের চুড়ি ও খেলনা পইড়া থাকতে দেখছি। তাদের চিহ্নও পাই নাই।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ঝালকাঠি ইউনিটের মুখপাত্র রাজু হাওলাদার বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০-লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঝালকাঠিতে ৫১ জন নিখোঁজের তালিকা করা হয়েছে।’