ভালুকায় প্রবাসীর স্ত্রী ২৫ লক্ষ টাকা নিয়ে ও দুই সন্তান রেখে চলে গেলেন পর.কী.য়া প্রেমিকের সাথে।

ভালুকায় প্রবাসীর স্ত্রী ২৫ লক্ষ টাকা নিয়ে ও দুই সন্তান রেখে চলে গেলেন পরকীয়া প্রেমিকের সাথে।

ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা মজিবর রহমানের কন্যা হাসিনা আক্তারের উপর দুই সন্তান রেখে ২৫ লক্ষ টাকা নিয়ে ডিভোর্স না দিয়েই একই গ্রামের পরকিয়া প্রেমিক আকবর আলীর সাথে চলে যাবার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার ১ নং উথুরা ইউনিয়নের চামিয়াদী গ্রামে।এজাহার এলাকা সূত্রে জানা যায়, চামিয়াদী গ্রামের মজিবর রহমানের কন্যা হাসিনা আক্তারের রেজিস্ট্রি কাবিন করিয়া বিয়ে হয় ২০০৪ সালে একই গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের সাথে ।
বিয়ের এক বছর পর জীবিকা নির্বাহের জন্য দুবাই প্রবাসে চলে যান জাহাঙ্গীর প্রবাস থেকে ছুটিতে আসা যাওয়ার মধ্যে তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহণ করে, এবং জাহাঙ্গীর প্রবাসে থাকাকালীন অবস্থায় পিতার সহিত পৃথক হইয়া পৃথক ভাবে বাড়ী ঘর নির্মাণ করিয়া বসবাস করিতে থাকে এবং প্রবাসে আয়ের সিংহ ভাগ টাকা তাহার স্ত্রী হাসিনা আক্তারের নিকট পাঠাথেন জাহাঙ্গীর,প্রায়াই দেড় বছর পূর্বে দেশে আসিয়া চার মাস অবস্থান করেন জাহাঙ্গীর ওই সময়ের মধ্যে তাহার স্ত্রী হাসিনা আক্তারের গর্ভে পুত্র সন্তান রাখিয়া পুনরায় দুবাই প্রবাসে চলে যান জাহাঙ্গীর, জাহাঙ্গীরের পরিবারের লোকজন পরস্পর অবগত হয় যে বিভিন্ন লোকের সাথে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী হাসিন আক্তারের অবৈধ মেলামেশা করিয়া অবৈধ সম্পর্ক গড়িয়েছেন, এবং শশুরের কথা মত চলা ফেরা করতেন না এবং পর্দাহীন অবস্থায় ঘুরা ফেরা করতে ও জাহাঙ্গীর এর সাথে সুসম্পর্ক ছিলনা হাসিনা।
বলে জানান জাহাঙ্গীর পিতা ইদ্রিস আলী অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত থাকায় হাসিনাকে তাহার চাচা শশুর আব্দুল মোতালেব বাধা-নিষেধ দিলে হাসিনা ময়মনসিংহের বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নারী ও শিশু নির্যাতন মিথ্যা মামলা দায়ের করে যাহার নং ১৩৪/
২০২০সালে মামলাটি বিজ্ঞ আদালত পিবিআই কে তদন্তের নির্দেশ দেন।
হাসিনা ও একই গ্রামের আবু হানিফের ছেলে আকবর আলীর সাথে অশ্লীল অবস্থায় জাহাঙ্গীরের বসত করে পরকীয়া প্রেম দেখে ফেলেন মোতালেব। তাদের কুকর্ম ধামাচাপা দেওয়ার জন্য
৩০/১০/২০ হাসিনার কন্যা দ্বারা মোতালেবকে নিজগ্রহে ডাকিয়া আনিয়া হাসিনা ও তার প্রেমিক আকাব্বর লোহার রড দিয়ে পিটাইয়া মোতালেবের দুই পা পঙ্গু করে দেন, বর্তমানে মোতালেব পঙ্গু অবস্থায় জীবন যাপন করছেন, জাহাঙ্গীর আলমের ৭ মাসের পুত্রসন্তান ও ৮ বছরে কন্যা সন্তান হাসিনার বাবা-মার কাছে রাখিয়া , হাসিনা তাহার পরকীয়া প্রেমিক আকাব্বরের বাড়ীতে পরম সুখে বসবাস করেছেন।
জাহাঙ্গীর এর পিতা ইদ্রিস আলী বলেন আমার পুত্রকে কোন প্রকার তালাকের নোটিশ না দিয়েই জাহাঙ্গীরের প্রবাস থেকে পাঠানো ২৫ লক্ষ টাকা ৭ ভরি স্বর্ণালংকার জাহাঙ্গীরের পাঠানো দামি মোবাইল ফোন ও চামিয়াদী মৌজায় জাহাঙ্গীরের ক্রয় কিত জমির কাগজ পত্র এবং কাপড়-চোপড় লইয়া চলিয়া যায় আকবর আলীর বাড়ীতে। এবং এলাকা সূত্রে জানা যায় ২০/৯/২০ সালে আদালতের মাধ্যমে এফিডেফিট করিয়া জাহাঙ্গীর কে ডিভোর্স দেন হাসিনা,এবং নিজ গৃহে থাকা অন্য একটি এফিডেভিট থেকে জানা যায় ৩১/১/২০২১ চলমান বছরে আবারো জাহাঙ্গীর আলমকে ডিভোর্স দেন হাসিনা। ওই সমাজের এক সম্মানী ব্যক্তির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন আমাকে সাক্ষীরাক্ষীয়া ১৫ থেকে ২০ দিন পূর্বে আকবর আলী কে ডিভোর্স দেন হাসিনা। এলাকায় হাসিনার কুকীর্তির কারণে ২০২০ সালে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন বলে যানাগেছে। এলাকাবাসী এই ঘটনায় জড়িত থাকা হাসিনা ও আকবর আলী কে তাদের বিবাহের রেজিস্ট্রি কাবিন চাহিলে তাদেরকে দেখাবেন না বলেও যানান হাসিনা ও আকবর। জাহাঙ্গীর প্রবাসে থাকায় তাহার পিতা ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।