ভাড়া করা ঘরে নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করতেন এই বাবা

বাবার কাছে মেয়েকে রেখে মা কাজ করতে যেতেন টেক্সটাইল মিলে। আর বাসায় একা পেয়ে তিন মাস ধরে নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করেছে এক পাষণ্ড বাবা। তিন মাস আগে ধর্ষণের বিষয়টি নজরে আসলে পারিবারিকভাবে মিমাংসার চেষ্টা করা হয়।

এরপরেও থেমে থাকেন নি ওই বাবা। রোববার (১৪ জুলাই) সকালে পুনরায় মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করলে মাধবদী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন কন্যা শিশুটির মা।এই ঘটনাটি ঘটেছে নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার আনন্দি এলাকায়।

জানা গেছে, রাজমিস্ত্রী মমিনুল (৩৭) তার স্ত্রী জাহানার বেগম ও স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণীতে পড়–য়া ১২ বছরের এক কন্যাসহ আনন্দী এলাকায় ভাড়া থাকতো। গত তিন মাস আগে মেয়েকে ধর্ষণের বিষয়টি প্রথম জানতে পারেন মা। এরপর বিষয়টি মিমাংসা করা হয়। তবে এরপরেও বিরত না থাকায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন কন্যা শিশুটির মা।

পরে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা মমিনুল (৩৭) কে গ্রেফতার করে পুলিশ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজ কন্যাকে গত তিন মাসে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করেছে গ্রেফতারকৃত পিতা।গ্রেফতারকৃত মমিনুল কুষ্টিয়া জেলার হরিণারায়নপুর এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। ভিকটিম ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মমিনুলের স্ত্রী জাহানার বেগম বলেন, পেটের দায়ে টেক্সটাইল মিলে কাজ করি তাই প্রায়ই মেয়েকে বাসায় একা পেয়ে উত্যাক্ত করতো। গত তিন মাস আগে ধর্ষণের বিষয়টি টের পাই। পারিবারিকভাবে মিমাংসার চেষ্টা করি কিন্তু রবিবার সকালেও পুনরায় মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করলে মাধবদী থানায় অভিযোগ দায়ের করি।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু তাহের দেওয়ান বলেন, মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাধবদীর আনন্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত পিতাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজ কন্যাকে গত তিন মাসে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করেছে গ্রেফতারকৃত পিতা।