স্বামী থাকতেও ফেসবুকে প্রেম করে বিয়ে, দুই স্বামীকে নিয়ে একই বাড়িতে সংসার বাঙালি গৃহবধূর

স্বামী থাকতেও ফেসবুকে প্রেম করে বিয়ে, দুই স্বামীকে নিয়ে একই বাড়িতে সংসার বাঙালি গৃহবধূর
December 26, 2021 by junayed
স্বামী থাকতেও ফেসবুকে প্রেম করে বিয়ে, দুই স্বামীকে নিয়ে একই বাড়িতে সংসার বাঙালি গৃহবধূর

বিবাহ একটি সামাজিক বন্ধন বা বৈধ চুক্তি অথচ বর্তমানে যেভাবে পরকীয়া বেড়ে চলেছে তাতে সামাজিক বন্ধন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রেমের টানে নিজের পরিবার, বা ছেলে মেয়েকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর ঘটনা হামেশাই শোনা যাচ্ছে। কিন্তু এবার যেই ঘটনাটি ঘটেছে তা অবাক করার মতো। এক গৃহবধূর কান্ড কারখানায় তাজ্জব হওয়ার জোগাড়।

ঘটনাটি ঘটেছে বেহালা শিশির বাগানে। এক বিবাহিতা মহিলার সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় হয় কোচবিহারের এক যুবকের। বিবাহিতা ওই মহিলার নাম সোমা দাস। তারপর সেই সূত্র ধরেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, ঘনিষ্ঠ হতে থাকেন তারা। এরপর শেষমেষ লকডাউনেই কুচবিহার থেকে সোজা বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়ি এসে হাজির হন ওই প্রেমিক। তারপর দুজন মিলে লুকিয়ে বিয়েও করে ফেলেন। কিন্তু অবাককর ঘটনা এরপরেই দেখা যায়। প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন ওই মহিলা তার দুই স্বামীকে নিয়েই একই বাড়িতে বসবাস শুরু করেন।

এরপর মহিলার প্রথম স্বামী মনোজিৎ দাস থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার স্বামীর অভিযোগ প্রেমিকের সাথে জোট বেঁধে তার ওপর অত্যাচার করতেন তার স্ত্রী, মানসিক অত্যাচারও চলতো। এই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত প্রেমিক পরিতোষ মন্ডল কে আটক করেছে বেহালা থানার পুলিশ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা গেছে ওই দম্পতির একটি 16 বছরের ছেলেও রয়েছে। তারা এও জানান ওই মহিলা তার প্রেমিকের সাথে কৌশিকী অমাবস্যার দিন এক মন্দিরে বিয়ে করেন। তারপর থেকেই প্রথম স্বামীর সাথে চলতে থাকে অত্যাচার। শনিবার প্রেমিক পরিতোষ মণ্ডলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয়রা।

গভীর সমুদ্র থেকে উঠে এল বিশ্বের বৃহত্তম একটি মাছ! জাল টানতেই হতবম্ব মৎস্যজীবীরা!

মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পরল বিশ্বের বৃহত্তম মাছ! অন্ধ্রপ্রদেশের গভীর সমুদ্রে থাকা দুই টন ওজনের এই বিশালাকার প্রাণীটিকে বনদপ্তরের সহযোগিতায় ফিরিয়ে দেওয়া হল গভীর সমুদ্রে। আজ্ঞে! এটি হলো বিরল প্রজাতির হোয়েল শার্ক। বিশ্বের প্রাণিজগতের ভারসাম্য রক্ষার জন্য তাদের বেঁচে থাকা অত্যন্ত আবশ্যক!

এদিন অন্ধপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমের তনতড়ি সমুদ্রসৈকতে মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতে হলে তাদের জালে ধরা পড়ে এই বিশাল আকার মাছটি। পরবর্তীতে খবর দেওয়া হলে, বনদাপ্তরিক কর্মীরা এসে হোয়েল শার্কটিকে ফিরিয়ে দেন গভীর সমুদ্রে তার নিজস্ব হ্যাবিট্যাটে। যদিও পুরো ব্যাপারটি ছিল অত্যন্ত শ্রমসাধ্য। এদিন স্থানীয় জেলা বন আধিকারিক অনন্ত শংকর জানিয়েছেন, “কিভাবে মাছটিকে গভীর সমুদ্রে ফিরিয়ে দেওয়া হবে তা খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল মৎস্যজীবীদের। তবে কাজটি মানসিক এবং শারীরিক উভয় দিক থেকেই ছিল শ্রমসাধ্য। অতঃপর মৎস্যজীবী ও বনদপ্তর কর্মীদের অক্লান্ত প্রচেষ্টার পর দুই টন ওজনের মাছটি গভীর সমুদ্রে ছেড়ে দেওয়া হয়।”

উল্লেখ্য হোয়েল শার্ক হলো পৃথিবীর সবথেকে বড় মাছ। একটি পূর্ণবয়স্ক হোয়েল শার্ক 18মিটারের বেশি দীর্ঘ হয়। কর্কটক্রান্তিয় অঞ্চলে বসবাসরত হোয়েল সার্কগুলির আয়ু 80 থেকে 130 বছর পর্যন্ত হয়। চেহারায় তিমি এবং হাঙ্গরের ছাপ থাকার কারণে এদের হোয়েল শার্ক বলে ডাকা হয়।

এদিন বনদপ্তর এর তরফ থেকে আরও জানানো হয় যদি এই মাছের কোন ভাবে দেখা মেলে তবে অতিসত্বর বনদপ্তরকে খবর দেওয়ার পাশাপাশি মাছটিকে গভীর সমুদ্রে স্বয়ং বাসস্থানে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এক্ষেত্রে মাছটির কারণে যদি মৎস্যজীবীদের জাল ছিড়ে যায় তবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বনদপ্তরের তরফ থেকে। তবে বিরল প্রজাতির এই মাছের অস্তিত্ব রক্ষার সমস্ত আশ্বাস দেয়া হয়েছে বনদফতরের তরফে!