হাসপাতালে গৃহবধূর লা.শ রেখে পা.লি.য়েছে শ্ব.শুর বাড়ির লোকজন

হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ রেখে পালিয়েছে শ্বশুর বাড়ির লোকজন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা থেকে সুমি আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নবীনগর সরকারি হাসপাতাল থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর গৃহবধূর শ্বশুর বাড়ির লোকজন এটিকে আত্মহত্যা বললেও, ওই গৃহবধূর বাবার বাড়ীর লোকজন এটিকে পরিকল্পিত হত্যা বলে অভিযোগ করেছেন। তবে মৃত্যুর খবর শুনে পুলিশ হাসপাতালে আসার পর শ্বশুর বাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের (দত্ত বাড়ি সংলগ্ন) সাহেব আলীর ছেলে জয়নাল মিয়ার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর এলাকার হোসেন মিয়ার মেয়ে সুমি আক্তারের বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের দেড়মাস বয়সি একটি শিশু সন্তানও রয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, দুপুরের পর গৃহবধূ সুমিকে তার ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে প্রতিবেশীরা। পরে বাড়ির লোকজন তাকে দ্রুত নবীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক গৃহবধূকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুমির পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, ‘স্বামীর বাড়ির লোকজন সুমিকে পরিকল্পিতভাবে গলা টিপে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার করছে।’ তবে স্বামীর বাড়ির একাধিক লোকজন এ প্রতিবেদককে বলেছেন, ‘পারিবারিক কলহের জেরে সুমি নিজেই অভিমান করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।’
এই বিষয়ে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. খাইরুল ইসলাম সন্ধ্যায় অবজারভারকে বলেন, ‘প্রাথমিক অবস্থায় শরীরের কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। তবে লাশের গলায় বেশ কালো দাগ ছিল।’
লাশ উদ্ধারকারী নবীনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখ আজিজুর রহমান বলেন, পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা সেটি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই বলা যাবে।