প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করার চরম পরিণতির কাহিনী

প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করার চরম পরিণতির কাহিনী

Related Posts
1 of 151

দক্ষিণবঙ্গ ডেক্সঃ প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করার চরম পরিণতির কাহিনী।

ফেনী জেলার সোনাগাজীতে ২০২০ সালের ১০ রমজান পরিবারের সবাইকে ফাঁকি দিয়ে প্রেমের সম্পর্কের জেরে পাশের এলাকার আকাশের সঙ্গে ঘর বাঁধে সীমা।

২০২১ সলের ১৬ রমজান লাশ হয়ে বাবার বাড়ি আসলেন সীমা।

প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা সীমার পরিণতি লাশ।

সীমার লাশ ঢাকার ভাড়া বাসার ঘরে ফাঁসে ঝুলছিল।

লাশের নিচে পড়ে ছিল আট মাসের গর্ভপাতের নবজাতক সন্তান।

উত্তর বাড্ডা এলাকায় ভাড়া বাসা ভাটারা থানা পুলিশ সীমার ও ভূমিষ্ঠ নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছেন।

আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন সীমা।

 

সীমার ঝুলন্ত লাশের নিচেই পড়ে ছিল গর্ভের সন্তানের লাশ।

শুক্রবার রাতে ময়নাতদন্ত শেষে গ্রামের বাড়িতে সীমার লাশ দাফন করা হয়েছে।

স্বামী বগাদানা ইউনিয়নের মৃত ওবায়দুল হকের ছোট ছেলে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ আকাশ।

বৃহস্পতিবার রাতেই পুলিশ গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

সীমার পরিবার জানায়, এক বছর আগে আকাশের সাথে প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে পালিয়ে বিয়ে করেন জয়নাল হাজারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সীমা।

 

তারা ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন ভাড়া বাসায় থাকতো।

আকাশের মোবাইল থেকে বৃহস্পতিবার রাতে সীমার বাবাকে ফোন করে জানানো হয় তার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে।

ঢাকার উত্তর বাড্ডা এলাকায় ভাড়া বাসায় সীমার মরদেহ আছে।

সীমার বাবা খবর পেয়ে  ইব্রাহীম ওই বাসায় গিয়ে জানতে পারেন ভাটরা থানার পুলিশ তার কন্যা ও ভূমিষ্ঠ নবজাতকে লাশ উদ্ধার করেছে।

 

সীমার বাবা মো. ইব্রাহীম জানান, আমার মেয়ে সীমা আত্মহত্যা করেনি।

আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।

চরমজলিশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমএ হোসেন জানান, আকাশ মেয়েটাকে ফুসলিয়ে নিয়ে এক বছরের মাথায় লাশ করে পাঠিয়েছে।

আকাশ  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলাকার অনেকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

ফেসবুকে সর্বশেষ নিউজ পেতে এড হোন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More