৬৬ বছর বয়সে প্রেমে পড়ল বাবা, ধুমধাম করে বিয়ে দিল ছেলে

৬৬ বছর বয়সে প্রেমে পড়ল বাবা, ধুমধাম করে বিয়ে দিল ছেলে

জীবনের ৬৬টি বসন্ত কাটিয়ে ফেলেছেন। স্ত্রী গত হওয়ার পর বিগত ১০ বছর ধরে তিনি বড্ড একা। চাকরি সূত্রে সন্তান থাকে কানাডায়। স্বভাবতই নিঃসঙ্গতায় ভরা তার জীবন। একলা থাকাটা তাঁর অভ্যাস। কিন্তু এভাবে তো আর চলা যায় না। তাই নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বাবার বিয়ে দিল ছেলে।

কিন্তু এই বয়সে নতুন বিয়ে করলে সমাজ কি ভাববে? সমাজ মেনে নেবে তো? প্রশ্নটা ঘুরপাক খাচ্ছিল সবার মাথায়। কিন্তু ছেলে তা মোটেও প্রশ্রয় দেননি। বরং বাবার বিয়ের ধুমধাম করে আয়োজন করে ফেলেন। পরিবার সম্পূর্ণ করার সকল আয়োজন শুরু করে ফেলেন নিমিষেই। সমাজের তথাকথিত ভাবনা থেকে বেরিয়ে বাবার বিয়ে দিয়ে নতুন মা আনেন বাড়িতে।

দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতেই এই বিয়ে সম্পন্ন হয়। আর এই খুশির খবর ও ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেলে পোস্ট করতেই মুহূর্তে মন ছুঁয়ে যায় অনেকের। প্রায় সকলেই এই নবদম্পতিকে আগামী দিনের শুভেচ্ছা জানান। অগণিত মানুষের ভালবাসা আর শুভেচ্ছা পান সায়ন নিজেও।

 

কী ভাবে হল এই প্রেম ভালবাসা? জানা যাচ্ছে  ভট্টনগরের রামকৃষ্ণ মঠে রোজ নিয়ম করে যেতেন তরুণ বাবু। দু-বছর আগে স্বপ্না রায়ের সঙ্গে দেখা হয় তার। এরপর, ফোন নম্বর এক্সচেঞ্জ, তারপর কথা বলা শুরু।

Related Posts
1 of 151

পাকিস্তানের গণশত্রু, আমেরিকার নায়ক, লাদেনকে ধরিয়ে চরম মূল্য চোকাতে হল এই চিকিৎসককে

Shakil Afridi who Helped America to kill Laden

২ রা মে, ২০১১, রাত তখন গভীর। সারা পৃথিবী যখন গভীর নিদ্রায় মগ্ন, আমেরিকা তখন সমগ্র পৃথিবীকে সন্ত্রাস মুক্ত করার জন্য অত্যন্ত গোপনে নিজেদের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরদিন সকালে উঠে বিশ্ববাসী সংবাদপত্রে চোখ রাখতে গিয়েই যেন রীতিমতো বিষম খাওয়ার জোগাড়! সকালে ঘুমচোখে উঠে সংবাদপত্রের খবর দেখে নিজের চোখকেও যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তারা! সমগ্র পৃথিবীর ত্রাস কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদি ওসামা বিন লাদেন, যাকে কিনা খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না, আমেরিকা নাকি তাকে খুঁজে রাতারাতি খতম করে ফেলেছে! সমগ্র বিশ্বকে রীতিমতো নাড়িয়ে দিয়েছিল এই খবর।

এই খবরে চোখ থাকলেও বিশ্ববাসীর অন্তর্দৃষ্টিতে তখন আরেকটি ঘটনার রিপিট টেলিকাস্ট চলছিল। ২৬/১১ এর আমেরিকার টুইন টাওয়ারে বিমান হামলার দৃশ্য! যার নেতৃত্ব দিয়েছিল লাদেন। পৃথিবীর ইতিহাসে সবথেকে ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলা হিসেবে চিহ্নিত থাকবে ২৬/১১ এর ঘটনাটি। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ২৬/১১ এর সেই অভিশপ্ত দিনটির ২০ বছর পূর্তি হবে। গত ২রা মে, লাদেনকে খতম করার ১০ বছর পূর্তি হয়েছে। তবে আমেরিকা কিন্তু একার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে লাদেনের ঘাঁটিতে ঢুকে তাকে খতম করতে পারতো না যদি না পাকিস্তানেরই একজন বাসিন্দা আমেরিকাকে লাদেনের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত খবর পাঠাতেন। কারণ সেইসময় লাদেনকে আশ্রয় দিয়েছিল পাকিস্তান। আমেরিকা বাইরে থেকে তার টিকিটিও ছুঁতে পারতো না।

আমেরিকার এমন ঐতিহাসিক সাফল্যের কান্ডারী যিনি ছিলেন তাঁর নাম শাকিল আফ্রিদি। অ্যাবোটাবাদে লাদেনের উপস্থিতি সম্পর্কে আমেরিকাকে “পাকা খবর” পাঠিয়ে ছিলেন তিনিই। পাকিস্তানের মাটিতে আমেরিকার চর হিসেবে গোপনে কাজ করে গিয়েছিলেন শাকিল আফ্রিদি। তাঁর পরিকল্পনা আগাম আন্দাজ করতে পারেনি কেউ। তবে লাদেনের মৃত্যুর পর পাকিস্তানের চোখে “গণশত্রু’, “দেশদ্রোহী’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন তিনি। যার ফল তাঁকে আজও ভুগতে হচ্ছে।

 

পাকিস্তানের বাসিন্দা তথা আমেরিকার সিআইএ এর গোপন চর শাকিল আফ্রিদি দেশের মাটিতে গোপনে লাদেনের গতিবিধির উপর নজর রেখে চলেছিলেন। তবে লাদেনকে ধরা এত সহজ ছিল না। বিশেষত পাকিস্তান যখন তার সহায়। তবে আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও রীতিমতো নাছোড়বান্দা। ২৬/১১ এর কলঙ্কিত দিনের মূল চক্রি যে, সেই লাদেনকে খতম করা চাই-ই চাই।

সেইমতো অ্যাবোটাবাদে রহস্যময় পাঁচিল ঘেরা একটি বাড়ির উপর গোপনে নজর রাখছিলেন শাকিল আফ্রিদি। গোয়েন্দা বিভাগের কাছে খবর ছিল এই বাড়িতেই আত্মগোপন করে রয়েছে সমগ্র বিশ্বের ত্রাস। তবে নিশ্চিত খবর না পাওয়া পর্যন্ত ওই বাড়ির উপর হামলা চালাতে রাজি ছিলেন না বারাক ওবামা। সেই নিশ্চিত খবর আনবে কে? শাকিল আফ্রিদির উপর সে কঠিন দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More