শিকলে বেঁধে মাদরাসা ছাত্রকে পেটালেন শিক্ষক

শিকলে বেঁধে মাদরাসা ছাত্রকে পেটালেন শিক্ষক

ছবিঃ সংগ্রহীত
Related Posts
1 of 151

বরগুনার সদর উপজেলায় শিকলে

বেঁধে ছাত্রকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

এমন ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ৮ নং ইউনিয়নের পশ্চিম হেউলিবুনিয়া গ্রামে।

মাদরাসার ছাত্র আব্দুল আলিম (১২) একই গ্রামের ফরিদ হাওলাদারের ছেলে।

জানা যায়, আব্দুল আলিম পশ্চিম হেউলিবুনিয়া মৃধা বড়ি হাফিজি মাদ্রাসার ছাত্র।

আব্দুল আলিম ১২ পারা কুরআন এর হাফেজি পরুয়া ছাত্র।

গত কিছু দিন জাবত আলিম মানষিক ভাবে অসুস্থ হওয়ায় নিজের বাড়িতে আসলে মাদ্রাসার হুজুর তাকে আবার মাদ্রাসায় নিয়ে যায়। এরকম চলতে থাকলে গতকাল (৪ নভেম্বর) আলিমকে মাদ্রাসায় নিয়ে শিকল দিয়ে বাধে হুজুর মারুফ হোসেন। শিকল থেকে ছারা পেয়ে আলিম আবার নিজ বাড়িতে আসে।

অতপর হুজুর মারুফ হোসেন তাকে পুনরায় মাদ্রাসায় নিয়ে শিকল বন্দী করে এবং বেধড়ক মারপিট করে। এক পর্যায়ে ছাত্র আব্দুল আলিম বেহুস হয়ে পরে। এসময় মাদ্রাসার পার্শ্ববর্তী এলাকার লোকজন টের পেয়ে আলিমের বাবা ফরিদ হাওলাদার কে জানান।

ওই ছাত্রের ফরিদ হাওলাদার জানান, ছেলেকে মারধর করার খবর পেয়ে সেখানে গেলে আলিমকে বেহুস অবস্থায় পাই। হুজুরের এ অমানবিক অত্যাচারে আমার ছেলে আলিম মাদ্রাসায় যেতে না চাইলে আমি তাকে বুঝিয়ে মাদ্রাসায় পাঠাই। তাই হয়তো আমার ছেলের সাথে আজ এরকম অমানবিক আচরণ করলেন হুজুর। তিনি আরও জানান, আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।

ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত শিক্ষক মারুফ হোসেন মাদরাসা থেকে পালিয়ে যাওয়ায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মো. জাবের বলেন, কাজটি ঠিক হয়নি। তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেননি। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক।

মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রাজা মিয়া বলেন, এভাবে মারধর করা ঠিক হয়নি। অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদরাসা থেকে প্রত্যাহার করা হবে। এর আগেও তার বিরুদ্ধে এমন একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো আভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More