দেয়ালের মাঝে দুইদিন আটকে ছিলেন নগ্ন ব্যক্তি!

দেয়ালের মাঝে দুইদিন আটকে ছিলেন নগ্ন ব্যক্তি!

 

একটি থিয়েটারের দেয়ালের মাঝে আটকে ছিলেন এক ব্যক্তি। উদ্ধারকর্মীরা দুইদিন পর তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। কিন্তু ওই ব্যক্তিকে দেখে উদ্ধারকর্মীদের চোখ কপালে উঠে যায়। কারণ ওই ব্যক্তি ছিলেন সম্পূর্ণ নগ্ন।

বিবিসি শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের সিরাকিউজ শহরে এই ঘটনা ঘটে। দেয়ালের মাঝে আটকা পড়া ওই ব্যক্তি সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিলেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, উদ্ধারকর্মীরা থিয়েটারের দেয়াল কেটে ওই ব্যক্তিকে নগ্ন অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানা গেছে।

তবে ওই ব্যক্তি কিভাবে দেয়ালের মাঝের জায়গায় কীভাবে ঢুকলেন তা নিশ্চিত নয় বলে সিরাকিউজের দমকল বিভাগ এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে।

ওই ব্যক্তির পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়নি। তবে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই ব্যক্তিকে ভবনের চারপাশে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখেছেন বলে ল্যান্ডমার্ক থিয়েটারের পরিচালক মাইক ইনটাগ্লিয়েটা স্থানীয় গণমাধ্যম সিরাকিউজডটকমকে জানিয়েছেন।

Related Posts
1 of 151

ওই ব্যক্তি ঠান্ডা থেকে বাঁচতে অথবা টয়লেট ব্যবহারের জন্য দেয়ালের মাঝে ঢুকতে পারেন বলে ধারণা করেছেন তিনি।

ওই ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হতে পারেন বলে ধারণা করছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

 

 

`কার্যকর সন্ত্রাস দমনে প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা’

রাবাব ফাতিমা

কার্যকর সন্ত্রাস দমনে প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় সংকল্প, অটল প্রতিশ্রুতি ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার সামাজিক আন্দোলন শুরু করতে আমাদের সাহায্য করেছে বলে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বিশেষ সভায় উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ রেজুলেশন ১৩৭৩ এর ২০ বছর পূর্তি এবং নিরাপত্তা পরিষদ সন্ত্রাস দমন কমিটির প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ সভায় বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১ এর সন্ত্রাসী হামলাসহ বিশ্বব্যাপী সব সন্ত্রাসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সঙ্গে বাংলাদেশের একাত্মতা প্রকাশের কথাও প্রদত্ত বক্তব্যে উল্লেখ করেন তিনি।

সন্ত্রাসবাদ এবং এর যে কোনো ধরন বা রূপের প্রতি বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স নীতির পুনরুল্লেখ করে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, বাংলাদেশ সন্ত্রাসবাদ দমনে গৃহীত সব আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত। সন্ত্রাসবাদ, সহিংস চরমপন্থা, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নসহ এ ধরনের যেকোনো হুমকি দমনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার যেসব আইন প্রণয়ন এবং নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তা তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার সব আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে থাকার জন্য বাংলাদেশের যে অবিচল অঙ্গীকার রয়েছে তা পুনর্ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More