যুবলীগ নেতার স্ত্রীর সঙ্গে পর,কীয়া, ছাত্রলীগ সভাপতি বহিষ্কার

যুবলীগ নেতার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, ছাত্রলীগ সভাপতি বহিষ্কার

Related Posts
1 of 151

কুষ্টিয়ার খোকসায় বিয়ের দাবিতে ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে যুবলীগ নেতার স্ত্রী জুয়েনা হোসেন লিমার অবস্থান নেয়ার ঘটনায় আলোচিত সেই উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সায়েম হোসেন সুজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে স্থায়ীভাবে তাকে বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদ। শনিবার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত এক পত্রে বিষয়টি জানানো হয়। শনিবার রাতে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সাদ আহম্মেদ সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বহিষ্কারাদেশে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির এক জরুরি সভায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সায়েম হোসেন সুজনকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হলো।

এদিকে, শনিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার একটি রেস্টুরেন্টে নিজের দশ বছরের পুত্র সন্তান নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন লিমা। লিখিত বক্তব্যে লিমা বলেন, তার স্বামী খোকসা উপজেলা যুবলীগ নেতা আবু ওবায়দা সাফি ২০১৭ সালে একটি মামলায় জেলে গেলে সায়েম হোসেন সুজন খোঁজখবর নিতে প্রায় তাদের বাড়িতে আসতো।

একদিন বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে জোরপূর্বক সুজন লিমাকে ধর্ষণ করে এবং মোবাইলে তা ধারণ করে। পরবর্তীতে ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি ও বিয়ের প্রলোভনে নিয়মিত লিমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে সুজন।

এসব ঘটনা জানতে পেরে চলতি মাসে লিমার স্বামী আবু ওবাইদা সাফি তাকে তালাক দেয়। ফলে বাধ্য হয়ে লিমা দশ বছরের পুত্র সন্তানকে নিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জে বাবার বাড়িতে অবস্থান নেয়।

সম্প্রতি সুজন অন্যত্র বিয়ে করবে বলে তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি বিভিন্ন মোবাইলে ছড়িয়ে দিলে বিয়ের দাবিতে লিমা ঢাকা থেকে গত ২ ফেব্রুয়ারি সুজনের বাড়িতে চলে আসে।

সুজন বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের লোকজন নিয়ে কৌশলে বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপন করে। এরপর তালা ভেঙে লিমা সুজনের বাড়ির বারান্দায় অবস্থান নেয়।

লিমা বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ঘটনার সাক্ষীর সহযোগিতায় খোকসা থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। উল্টো আমাকে ও সাক্ষীকে মিথ্যা-সাজানো মামলায় গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে থানা থেকে বের করে দেয় পুলিশ।

খোকসা থানা পুলিশের ওসি নাজমুল হুদা জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে লিমাকে সুজনের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা হয়। আর লিমা কোনো মামলা করতে রাজি হয়নি। তাই মামলা নেয়া হয়নি।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More