প্রেমিকের হাত ধরে উধাও দুই সন্তানের জননী

প্রেমিকের হাত ধরে উধাও দুই সন্তানের জননী

মিরসরাইয়ে প্রেমিকের হাত ধরে দুই সন্তান রেখে প্রবাসীর স্ত্রী উধাওয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর তাজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

প্রবাসীর স্ত্রীর নাম পূর্ণিমা শর্মা (২৩)। এ ঘটনায় পূর্ণিমা শর্মার শ্বশুর জনাদ্দন শর্মা জোরারগঞ্জ থানায় নিখোঁজ ডায়েরি (নং-১৩৭১) করেছেন।

জানা গেছে, ছয় বছর আগে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামের জনাদ্দন শর্মার ছেলে ইন্দজিৎ শর্মার সাথে করেরহাট ইউনিয়নের জয়পুর পূর্বজোয়ার গ্রামের শুভপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার পূর্ণিমা শর্মার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়।

দাম্পত্য জীবনে তাদের পান্ত শর্মা (৫) ও প্রভাত শর্মা (৩) নামের দুটি ছেলে রয়েছে। জীবিকার তাগিদে প্রবাসে যাওয়ার পর থেকে পূর্ণিমা শর্মার সাথে করেরহাট ইউনিয়নের জয়াপুর পূর্বজোয়ার শুভপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার স্বপন দের ছেলে শুভ দের পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সর্ম্পকের কারণে শুভ দের সাথে দুই সন্তান রেখে পূর্ণিমা পালিয়ে যায়।

Related Posts
1 of 151

এ ব্যাপারে পূর্ণিমার শ্বশুর জনাদ্দন শর্মা বলেন, আমার ছেলের বৌ পূর্ণিমা শর্মাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে নিখোঁজ ডায়েরি করি এবং তার পরের দিন শুভকে প্রধান আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জোরারগঞ্জ থানার এসআই সুবল চন্দ্র সিংহ বলেন, শুভ নামের একটি ছেলের সাথে পরকীয়া করে প্রবাসীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী পূর্ণিমা শর্মার পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি এবং অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এবিষয়ে তদন্ত চলছে।

 

নেচে-গেয়ে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব পালন

621430 144

নেচে-গেয়ে আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে বান্দরবানের মারমা সম্প্রদায় পালন করল ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব।

মঙ্গলবার সকালে শহরের কাছে থোয়াইঙ্গ পাড়া এলাকায় পাহাড়ি জুমে বান্দরবানের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এই উৎসবের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সদর উপজেলার চেয়ারম্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর।

এছাড়া অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক মংনু চিং মারমা, সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান রাজুমং মারমাসহ মারমা সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উৎসবে মারমা তরুণ-তরুণীরা তাদের ঐতিহ্যবাহী বিলুপ্তপ্রায় গান, নৃত্য, পালা গান, কবিতাসহ নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড উপস্থাপন করে।

গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া নবান্ন উৎসবসহ পাহাড়ি সম্প্রদায়ের বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে ক্ষুদ্র সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রতিবছরই এরকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।

পাহাড়ে জুমের ফসল উঠে যাওয়ার পর মূলত পাহাড়ি গ্রামগুলোতে নবান্ন উৎসবের আয়োজন করে থাকে বিভিন্ন সম্প্রদায়। কালের বিবর্তনে এখন এই উৎসব অনেকটাই হারিয়ে যেতে বসেছে।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More