গাছ কা,টা নিয়ে বিরোধে গৃহবধূকে কুপিয়ে হ,ত্যা,

গাছ কা,টা নিয়ে বিরোধে গৃহবধূকে কুপিয়ে হ,ত্যা,

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় শেফালী বেগম (২৮) নামের এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. আবুল কালামকে (৫০) আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (১০ নভেম্বর) ভোরে উপজেলার চানন্দী ইউনিয়ন থেকে তাকে আটক করা হয়। মো. আবুল কালাম ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পের মৃত নবাব হোসেনের ছেলে।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার সকালে গাছ কাটা ও শৌচাগার ব্যবহার নিয়ে বাকবিতণ্ডার জেরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মো. ইউসুফের স্ত্রী শেফালী বেগমকে (২৮) দা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন মো. আবুল কালাম। পরে আহত শেফালীকে নোয়াখালীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করলে দিনগত রাত দেড়টায় তিনি মারা যান।

 

খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই বিভিন্নস্থানে অভিযান চালায়। পরে ভোর রাতে চানন্দী ইউনিয়নের একটি বাড়ি থেকে মো. আবুল কালামকে আটক করে। এসময় তার স্বীকারোক্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্রটিও (দা) উদ্ধার করা হয়েছে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ দিলে আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

অবশেষে আমিনুরের লাশ মিললো কপোতাক্ষ নদে

Related Posts
1 of 151

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার আগড়ঘাটা বাজার এলাকা থেকে অপহৃত কলেজছাত্র আমিনুরের (১৯) মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বুধবার (১০ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে আগড়ঘাটা বাজারের অপর প্রান্ত শাহজাতপুরের দিকের কপোতাক্ষ নদে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. তাকবীর হুসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কপিলমুনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাওসার আলী জোয়ার্দ্দার বলেন, আমিনুরকে যেখান থেকে মেরে নদীতে ফেলা হয় তার প্রায় ১ হাজার ফুট দূরে কপোতাক্ষ নদে মরদেহ পাওয়া গেছে। পুলিশকে জানানোর পর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

খুলনার পাইকগাছায় মুক্তিপণের দাবিতে কলেজছাত্র আমিনুর রহমানকে অপহরণের পর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মঙ্গলবার (০৯ নভেম্বর) নিহতের বাবা সুরমান গাজী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডের পর চারদিন ধরে কপোতাক্ষ নদে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে বুধবার তার মরদেহ পাওয়া গেছে।

হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার একমাত্র আসামি ফয়সাল খুনের বর্ণনা করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদলতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন ওই আদালতের বিচারক মো. মনিরুজ্জামান।

নিহত আমিনুর উপজেলার কপিলমুনির শ্যামনগর গ্রামের সুরমান গাজীর ছেলে ও কপিলমুনি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। আটক ফয়সাল সরকার পাইকগাছার গদাইপুর গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে।

এর আগে ৭ নভেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে আমিনুরকে মোবাইল ফোনে ডেকে নেন ফয়সাল। বন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে পাইকগাছা উপজেলার আড়ংঘাটা বাজারের পাশে কপোতাক্ষ নদের তীরে মিলিত হন তারা দু’জন। প্রথমে ঘুমের ওষুধ মেশানো জুস খাওয়ানো হয় আমিনুরকে। এরপর তারা একসঙ্গে ধুমপান করেন। আমিনুরের জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থা হলে দা দিয়ে গলায় ও ঘাড়ে কুপিয়ে জখম করে নদীতে ফেলে দেন ফয়সাল।

আমিনুরের ব্যবহৃত ফোন থেকে ওইদিন রাত ১০টার দিকে তার বাবার কাছে দশ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারী। এসময় মুক্তিপণের টাকা পাইকগাছা ব্রিজের নিচে রাখতে বলা হয়। এরপর আমিনুরের বাবা সুরমান গাজী তার কথামতো দাবির কিছু টাকা নির্দিষ্ট স্থানে রেখে দূর থেকে লোক দিয়ে নিরীক্ষণ করেন। পরে ফয়সালকে টাকা নিয়ে ফেরার সময় আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। তার দেওয়া তথ্য মতে কপোতাক্ষ পাড়ে গিয়ে রক্তের দাগ পাওয়া গেলেও সেদিন লাশ পাওয়া যায়নি।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আটক ফয়সাল জানান, তার প্রেমিকার মোটরসাইকেল কেনার আবদার রক্ষা করতে তিনি আমিনুরকে অপহরণ করে তার বাবার কাছে মুক্তিপণ দাবি করে।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More