ধারের টাকা ফেরত চাওয়ায় প্রেমিককে পুড়িয়ে হ,ত্যা!

ধারের টাকা ফেরত চাওয়ায় প্রেমিককে পুড়িয়ে হ,ত্যা!

 

Related Posts
1 of 151

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : পরিচয় হওয়ার পর প্রেমিকা নিবেদিতার কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা ধার নেন প্রেমিক অঙ্কিত চৌধুরী। সেই টাকা বারবার চেয়েও পাচ্ছিলেন না নিবেদিতা। ধারের টাকা ফেরত চাওয়াতেই নিবেদিতাকে তার প্রেমিক খুন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৬ জুন নিবেদিতা আত্মহত্যা করেছে বলে জানায় তার প্রেমিক অঙ্কিত। অঙ্কিত বলেন, ‘আত্মহত্যা করেছে নিবেদিতা। আমি ওর দেহ পুড়িয়ে দিয়েছি।’ এরপরই সন্দেহ নিহতের পরিবারের।

অঙ্কিত ভারতের উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। আজ বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার দুর্লভপুরে নিবেদিতার বোন অন্তরা মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘নিবেদিতার সঙ্গে অঙ্কিতের বিয়ের সব ঠিকঠাক ছিল। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে উত্তরপ্রদেশের শোনপুরি গ্রামে অঙ্কিতের বাড়িও চার-পাঁচদিনের জন্য গিয়েছিল নিবেদিতা। দুই পরিবারের সহমতে তাদের বিয়ের সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল। তারপরই ৬০ হাজার টাকা ধার নেয় অঙ্কিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেই টাকা বারবার চেয়েও অঙ্কিতের কাছে পাচ্ছিল না নিবেদিতা। তাই নিয়ে দুজনের মধ্যে দ্বন্দ্বও শুরু হয়। সেই টাকা না দেওয়ার বিষয়ে একাধিকবার পরিবারকেও জানায় নিবেদিতা।’ টাকার লোভেই নিবেদিতাকে তার প্রেমিক অঙ্কিত মেরে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেন নিবেদিতার বোন।

ঘরে ঘরে অভিযান চালাচ্ছে তালেবান: সতর্কতা জারি জাতিসংঘের

 

ঘরে ঘরে অভিযান চালাচ্ছে তালেবান: সতর্কতা জারি জাতিসংঘের

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : আফগানিস্তানে ন্যাটো বা আফগান সরকারের পক্ষে যারা কাজ করেছেন, তাদের খুঁজতে ঘরে ঘরে অভিযান চালাচ্ছে তালেবানরা। জাতিসংঘের এক নথিতে বিষয়টি উঠে এসেছে। নথিতে বলা হয়েছে, তালেবানরা তাদের টার্গেট করা মানুষজনকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খুঁজছে এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিচ্ছে।

তালেবানরা ক্ষমতা দখলের পর থেকে বলে আসছে তারা প্রতিশোধ নেবে না। কিন্তু চিত্র দেখা যাচ্ছে তার উল্টো। জাতিসংঘকে যারা গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করতেন, তালেবান তাদেরকে টার্গেট করছে। নরওয়েজিয়ান সেন্টার ফর গ্লোবাল অ্যানালাইসিস- রিপ্টোর একটি গোপন নথিতে এসব তথ্য জানা যায়। জাতিসংঘ এই সংস্থার থেকেই গোয়েন্দা তথ্য পেতো। ক্রিস্টিয়ান নেলম্যান, যিনি ওই প্রতিবেদনের পেছনে দলের প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন তিনি বলেন, ‘তালেবান বর্তমানে যাদের টার্গেট করছে, তাদের সংখ্যা অনেক বেশি এবং এই হুমকির বিষয়টি স্পষ্ট।’

লিখিতভাবে বলা হয়েছে যে, যদি তারা নিজেরা ধরা না দেয়, তাহলে তালেবান ওই ব্যক্তিদের পরিবর্তে তার পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তার ও বিচার করবে, জিজ্ঞাসাবাদ করবে এবং শাস্তি দেবে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে যারা তালেবানের কালো তালিকাভুক্ত, তারা মারাত্মক বিপদের মধ্যে রয়েছেন এবং তাদেরকে গণহারে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হতে পারে।

এদিকে আফগানিস্তানের বেশ কয়েকটি শহরে এরইমধ্যে তালেবানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে পরিস্থিতি এখনও বিশৃঙ্খল। যারা পালাতে চেষ্টা করছেন, তালেবান তাদের বাধা দিচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, তালেবান এখন হাজার হাজার মার্কিন সাঁজোয়া যান, ৩০ থেকে ৪০টি বিমান এবং বিপুল সংখ্যক ছোট অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করছে।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More