উল্লাপাড়ায় বিয়ের দাবীতে বিষের বোতল নিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা

উল্লাপাড়ায় বিয়ের দাবীতে বিষের বোতল নিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা

Related Posts
1 of 151

উল্লাপাড়া উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের জালশুকা গ্রামে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে দু’দিন ধরে অনশন করছেন প্রেমিকা। প্রেমিকার হাতে রয়েছে বিষের বোতল। প্রেমিক তাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন প্রেমিকা। এই গ্রামের আব্দুল আজিজ মাস্টারের ছেলে মাহফুজ একজন স্নাতকোত্তর ডিগ্রীধারী যুবক।

বেশ কিছুদিন ধরে পার্শ্ববর্তী উনুখাঁ গ্রামের ফরহাদ আলীর মেয়ে লিপি খাতুনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। লিপি একজন গ্র্যাজুয়েট মেয়ে। এদিকে লিপি মাহফুজের বাড়িতে অনশন শুর“ করলে মাহফুজ সপরিবারে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে সংশি­ষ্ট রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম হির“ জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই লিপির সঙ্গে মাহফুজের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এদের বিয়ের ব্যাপারে একাধিকবার গ্রাম্য দরবার হলেও বিয়ে সম্ভব হয়নি। ছেলে পক্ষের লোকজন এই বিয়েতে সম্পূর্ণ অপরাগতা প্রকাশ করেছে।

 

 

সোমবার সকালে লিপি বিষের বোতল হাতে নিয়ে বিয়ের দাবিতে মাহফুজের বাড়িতে গিয়ে অনশন শুর“ করেছে। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজনকে লিপি খাতুনের দেখাশোনা, নিরাপত্তা ও তাকে খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা নিয়েছেন। মানবিক কারণে সামাজিকভাবে বিষয়টি সুরাহার জন্য তিনি উভয়পক্ষের অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।

 

এ বিষয়ে লিপি খাতুন জানান, মাহফুজ তাকে বিয়ে না করা পর্যন্ত তিনি ওই বাড়ি থেকে অবস্থান ত্যাগ করবেন না। প্রয়োজনে তার হাতে থাকা বিষ খেয়ে তিনি আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দেন।

এ ব্যাপারে সংশি­ষ্ট সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাদের জিলানীর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, লিপি খাতুনের অনশনের বিষয়টি তিনি জানেন না। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

নোয়াখালীতে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ শেষে হত্যার অভিযোগ, আটক ১

নোয়াখালীতে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ শেষে হত্যার অভিযোগ, আটক ১

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়ন থেকে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে (১৬) তুলে এনে ধর্ষণের পর মারধর করে হত্যা করার অভিযো পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১৯ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে মাইজদী রেললাইনের পাশে একটি ব্যাচেলর ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের স্বজনেরা হাসপাতাল থেকে কথিত প্রেমিক রায়হানকে (১৯) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। সে বেগমগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ খানপুর গ্রামের ডা.আবদুল মোতালেবের ছেলে। নিহত ওই কিশোরী স্থানীয় এক মাদ্রাসর দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ করেন, চরমটুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের রাকিব (২০) ও রায়হান (২১) উদয় সাধুর হাট বাজার থেকে মাদ্রাসা ছাত্রীকে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা তাকে মাইজদী বাজারের রেললাইনের পাশে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে কথিত প্রেমিক রায়হানসহ একাধিক তরুণ মিলে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

সকাল ১১টার দিকে ভুক্তভোগী কিশোরী কৌশলে তার বড় বোনকে ফোন করে ঘটনাটি জানায়। সে ফোনে বলে আপু আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমারে এখান থেকে নিয়ে যা। আমি মাইজদীর আশে পাশে আছি। তবে একবারে সঠিক ভাবে বলতে পারবোনা কোথায় আছি। আমি পরে তোদের সব বলব।

এর পরেই ধর্ষণকারীরা নির্যাতিতা কিশোরীর ফোন বন্ধ করে দেয় এবং ধর্ষণ শেষে তাকে বেধড়ক মারধর করে হত্যা করে। দুপুর দেড়টার দিকে অভিযুক্ত রায়হান ওই কিশোরীকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে গুরুত্বর আহত অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। হাসপাতালে ওই কিশোরীর মরদেহ রেখে সে পালিয়ে যাওয়ার সময় হাসপাতাল থেকে নিহতের স্বজনেরা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

সুধারাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহেদ উদ্দিনকে, পরিবারের ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে ওসিকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন পরিবার অভিযোগ এটি তাদের বিষয়। মরদেহ ময়নাতন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে এবং রিপোর্ট অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More