‘ধ’র্মে’র ভা’ই বা’নি’য়ে আ’ড়া’লে প’র’কী’য়া

‘ধ’র্মে’র ভা’ই বা’নি’য়ে আ’ড়া’লে প’র’কী’য়া

আজ থেকে পাঁচ বছর আগে প্রবাসী স্বামীর সাথেও প্রেম করে বিয়ে হয়েছিলো সাথীর। সৌদি প্রবাসী স্বামী বিশ্বা’স করে সব টাকা পাঠাতো প্রিয়তমা স্ত্রীর নামেই। সেই তিল তিল করে জমানো ভালোবাসা, সন্তানের মায়া, স্বামীর বিশ্বা’স

সবকিছুকে তুচ্ছ করে প’রকীয়ার টানে স্বামীর সংসার থেকে শুধু টাকা আর সম্পদ নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ঐ গৃহবধুর আদ্যোপান্ত নিয়ে ফরিদপুর প্রতিনিধি হারুন-অর-রশীদের পাঠানো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। প’রকীয়ার ভ’য়ানক থাবায় নষ্ট হয়ে গেলো আরও একটি সংসার এবার ফরিদপুরের সহজ সরল সৌদি প্রবাসী ইউনুস শেখ (২৬) নামের এক ছেলের সাথে প্রতারনার মাধ্যমে প্রায় ১৫ লাখ টাকার সম্পদ নিয়ে চম্পট দিয়েছে রাজবাড়ি

জে’লার খলিলপুর এলাকার বিউটি আক্তার সাথী (২০) নামের এক গৃহবধু । সাথীর ঘরে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর ৫ বছর সংসার করে ১০ লক্ষাধিক নগদ টাকা, ৫ ভরি স্বর্নালংকার, টিভি, ফ্রিজ, খাটসহ সব কিছু নিয়ে তার প’রকীয়া প্রেমিক আজাদ (২৫) এর হাত ধরে পালিয়ে গেছে। তারা বর্তমানে রাজবাড়ি জে’লা শহরের বাসস্ট্যান্ড এর পাশের এলাকায় বসবাস করছে। সাথীর পরকিয়া প্রেমিকের বাড়ি মা’দারীপুর জে’লার রাজৈর উপজে’লায়।

সাথীর প্রতারনার শিকার যুবক ইউনুস ও তার পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে প্রা’প্ত তথ্যে জানা যায়, ২০১০ সালে মোবাইল ফোনের একটি মিস কলের সূত্র ধরে ফরিদপুরের মমিনখার হাট এলাকার যুবক ইউনুস (২৬) এর সাথে পরিচয় হয় রাজবাড়ি জে’লার খলিলপুর এলাকার সাথীর। এর পর তাদের মধ্যে ভালোবাসার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে দুজনের সম্মতিতে তারা কোর্ট ম্যারেজ করার সি’দ্ধান্ত নেয়। সৌদি আরব থেকে ইউনুস দেশে

এসে বিয়ে করে সাথীকে। বিয়ের পর দুপরিবারই ইউনুস ও সাথীর বিয়ে মেনে নেয়। ইউনুস তার বিবাহিত স্ত্রী সাথীকে নিয়ে তার নিজের বাড়ি ফরিদপুরে নিয়ে যায়। মাত্র ৩ মাস শ্বশুর বাড়ি থেকে পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার অজুহাতে সাথী তার মায়ের সাথে রাজবাড়িতে নববাস করতে চায়। সাথীর এই দাবী মেনে নেয় ইউনুস। ইউনুস তার শ্বশুর বাড়িতে স্ত্রীকে রেখে ভরন পোষন দিতে থাকে এবং বিদেশ থেকে সাথীর চাহিদামত নগদ

Related Posts
1 of 151

টাকা পাঠাতে থাকে। বিয়ের পর ইউনুস সৌদি আরব থেকে ২ বার দেশে আসে এবং স্ত্রীর সাথে অল্পদিন কা’টানোর পর আবার কর্মস্থল সৌদি আরবের ম’দিনায় ফিরে যায়। বিয়ের পরের বছর ২০১২ সালে ইউনুস ও সাথীর ঘর আলো করে এক পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। আদর করে তার নাম রাখা হয় ইমর’ান। ইমর’ান এর বয়স এখন সাড়ে ৩ বছর। বিয়ের পর ইউনুস সাথীকে এস এস সি, এইচ এস সি পাশ করিয়ে গতবছর সরকারী রাজেন্দ্র

বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ডিগ্রীতে ভর্তি করে। ইউনুস বিদেশে থাকার সুযোগে সাথী আজাদ সহ বেশ কয়েকজন যুবকের সাথে পরকিয়া প্রেম করতে থাকে। প্রায় প্রতি স’প্তাহে সাথী বিভিন্ন অজুহাতে ইউনুস এর কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করতো। ইউনুস কখনো ব্যাংক এর মাধ্যমে, কখনো বিকাশ আবার কখনো কখনো ভিন্ন পন্থায় সাথীর কাছে টাকা পাঠাতো। ইউনুস এর সরলতার সুযোগ নিয়ে সাথী প্রয়োজনের চেয়েও অনেক

বেশি অর্থ পাঠাতে বলতো ইউনুসকে। ইউনুসও তার স্ত্রী সাথীকে খুশি রাখতে তার সব চাহিদা পুরন করতো। এরই মধ্যে গত ৫ মাস আগে মা’দারীপুরের আজাদ নামের একটি ছেলে ইউনুস এর ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে সাথীর সাথে তোলা ঘনিষ্ট ও আপ’ত্তিকর কিছু ছবি পাঠিয়ে ২ লাখ টাকা দাবী করে। অন্যথায় ইউনুসের স্ত্রী সাথীর সাথে তোলা সব আপ’ত্তিকর ছবি ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হু’মকী দেয়। মান সম্মান রক্ষার জন্য ইউনুস

আজাদের দাবী অনুযায়ী পুরো টাকা দিতে রাজি হয় এবং এসব ছবি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে না দেবার অনুরোধ করে। বি’ষয়টি সম্পর্কে ইউনুস তার স্ত্রী সাথীকে এ ব্যপাারে জিজ্ঞাসা করলে সাথী আজাদের সাথে তার অনৈ’তিক সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে। এই ঘটনার পর স্ত্রী সাথীর বি’ষয়ে ইউনুস খোজ খবর নিতে গেলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসে। সাথীর সাথে আরো অন্তত ১০ টি ছেলের পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে সে নিশ্চিত হয়।

এরই মধ্যে সাথী তার প’রকীয়া প্রেমিক আজাদ এর হাত ধরে গত ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। এর পর বেশ কিছুদিন ঢাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় রাত কা’টানোর পর সম্প্রতি সাথী এবং আজাদ রাজবাড়ি শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছে বলে সাথীর এক খালাতো বোন ফেরদৌসি জানিয়েছে। সাথী আজাদের হাত ধরে বাড়ি থেকে বের হবার সময় নগদ ১০ লাখ টাকা, ৫ ভরি স্বর্ন, টিভি, ফ্রিজ, খাট সহ কম কওে

হলেও ১৫ লাখ টাকার মুল্যবান সব সম্পদ নিয়ে গেছে বলে ইউনুস জানিয়েছে। ইউনুস কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়ে খুব শিঘ্রই দেশে এসে সাথী এবং তার প’রকীয়া প্রেমিক আজাদ এর বিরু’দ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে এবং তার একমাত্র সন্তান ইমর’ানকে বুঝে পেতে আ’দালতের আশ্রয় নেবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More