ত্রি’পল প্রেমে আ’ক্রা’ন্ত কলেজ ছাত্রী, অতঃপর মাথা ফা’টি’য়ে দিল ২য় প্রেমিক

ত্রি’পল প্রেমে আ’ক্রা’ন্ত কলেজ ছাত্রী, অতঃপর মাথা ফা’টি’য়ে দিল ২য় প্রেমিক

ত্রি’কোণ প্রে’মের জেরে আ’ক্রা’ন্ত হল এক ক’লেজ ছাত্রী। ঘট’নাটি ঘটেছে দ’ক্ষিণ ২৪ পর’গনা জে’লার ক্যানিং থা’নার ব’ঙ্কিম সরদার কলেজে। ঘট’নায় আ’ক্রা’ন্ত ছা’ত্রীর নাম পূ’জা সরদার। পু’জা ব’ঙ্কিম স’রদার কলেজের কলা বিভাগের তৃ’তীয় বর্ষে’র ছা’ত্রী। আ’হ’ত

পুজা’কে উ’দ্ধা’র করে ক্যা’নিং মহ’কু’মা হা’স’পা’তালে নিয়ে আসে তারই স’হপাঠীরা।অভি’যোগ পূজার সহ’পাঠী নব’নিতা নামে এক ছা’ত্রী কলে’জের তৃ’তীয় ব’র্ষে’র ছাত্র অ’মিত হাল’দারের সাথে ভালবাসার সম্প’র্ক গড়ে তোলে। দী’র্ঘদিন অ’মিতের সাথে সম্প’র্কের

জে’রে নব’নিতাকে অনেক উ’পহার ও দিয়েছিল অমিত। একে অন্যের বাড়িতে যা’তায়াত ও ছিল। সম্প্রতি নব’নিতা কলেজের অন্য এক ছা’ত্রের সাথে নতুন করে ভা’লোবাসার স’ম্পর্ক গড়ে তোলে।

এই সম্প’র্কের কথা কো’নভাবে জানতে পেরে যায় অমিত।নব’নিতার অ’ভিযোগ নতুন ব’ন্ধুর সাথে তার সম্প’র্কের কথা অ’মি’তকে জানিয়ে দেয় পু’জা।

এই অ’ভি’যোগ তুলেই কা’র্যত সোমবার দুপুরে কলে’জের গে’টের সামনে পু’জা সরদারের উপ’র হা’ম’লা চা’লায় নব’নিতা ও তার পরিবারের লো’কেরা।

ঘ’টনায় গু’রুতর জ’খ’ম হয় ঐ ছা’ত্রী। মা’থা ফে’টে র’’ক্ত বের হতে থাকে। খ’বর পেয়ে পূ’জার বা’ড়ির লোক’জন ও পৌঁছ’য় ক’লেজে। কিন্তু তত’ক্ষ’ণে পা’লি’য়ে যায় অ’ভি’যু’ক্ত’রা। এই ঘট’নায় কলে’জ চ’ত্ব’রে উ’ত্তে’জনা ছ’ড়ালে ঘ’টনাস্থলে আসে’ ক্যা’নিং থা’নার পু’লিশ

Related Posts
1 of 151

আরও পড়ুন=একমাত্র বাংলাদেশের নাগরিকেরা এই দেশটিতে ফ্রি ভিসা পান। অর্থাৎ আপনি যদি বাংলাদেশি নাগরিক হয়ে থাকেন, তাহলে এই দেশে যেতে আপনাকে কোনো ঝামেলাই পোহাতে হবে না। সেখানে ঘুরতে গিয়ে কোনো কারণে যদি হাসপাতালে যেতে হয়, তাহ

লে আপনি দেখবেন সেখানকার ডাক্তার, নার্স থেকে শুরু করে সব ক’র্মচারী মেয়ে।

তখন আপনি হয়তো ভাববেন, আপনি কোনো মহিলা হাসপাতালে ঢুকে পড়েছেন। কিন্তু না, সেখানে নারী-পুরুষ সব রকমের রো’গী দে’খতে পাবেন আপনি। আ’সলে এদের বেশিরভাগ হাসপাতাল নারীরা চালান।

শুধু কি হাসপাতাল? হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে রাস্তায় এলে দেখবেন, দোকানপাটও চালাচ্ছেন নারীরা।হোটেলের মালিক, যানবাহনের ড্রাইভার,

রান্নার কুকসহ যাবতীয় কাজে নারীরাই সর্বেসর্বা। একটু খোঁ’জ নিলেই জানতে পারবেন, পরিবারের, বাড়ির, গবাদি পশু এবং জমির মতো সব সম্পত্তির মালিকানা পায় পরিবারের বড় মেয়েরা।

এতে করে ভাবতে পারেন, তবে কি এখানে পুরুষ কম আছে নাকি? তাও নয়। এদেশে ৫৩ শতাংশই পুরুষ। আ’সলে দেশটিতে সবাই কাজ করেন। নারী-পুরুষে কোনো ভেদাভেদ নেই সেখানে। তবে তারা নারীদেরকে বেশি সম্মান দেয়। এই কাজটি শুধু পুরুষদের বা এই কাজটি শুধু নারীরাই করবে, তা কোথাও ভাগ করা নেই।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More